ইরানের অনুপস্থিতি পরমাণু চুক্তিতে প্রভাব ফেলবে না: ওয়াশিংটন

Internationalআন্তর্জাতিক ডেস্ক : জেনেভায় বুধবার থেকে শুরু হওয়া সিরিয়া শান্তি আলোচনায় ইরানের অনুপস্থিতির প্রভাব দেশটির পরমাণু চুক্তি বাস্তবায়নের ওপর পড়বে না উল্লেখ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যারি হার্ফ বলেছেন, ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তির বাস্তবায়ন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সিরিয়া বিষয়ক জেনেভা-২ সম্মেলন (শান্তি আলোচনা) সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।

১৯ জানুয়ারি জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন জেনেভা শান্তি আলোচনায় ইরানকে আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু এরপর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের মতো কিছু দেশের প্রচন্ড চাপের কারণে একদিন পর সে আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নেন জাতিসংঘ মহাসচিব। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বান কি মুনের এ পদক্ষেপকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন।
ম্যারি হার্ফ এ ঘটনাকে ‘চরম ব্যার্থতা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, ‘আমাদের কাছে বিষয়টি অত্যন্ত পরিষ্কার এবং আমার মনে হয় ইরানিদের কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার যে, এ দু’টি (পরমাণু চুক্তি ও সিরিয়া সম্মেলন) সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। আমার মনে হয় আমাদের মতো ইরানও দু’টি বিষয়কে আলাদা আলাদাভাবেই দেখবে।’
ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পাশ্চাত্যের সৃষ্ট সংকট নিরসনের লক্ষ্যে গত নভেম্বর জাতিসংঘের পাঁচ স্থায়ী সদস্যদেশ ও জার্মানীকে নিয়ে গঠিত ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরান একটি চুক্তি করে। গত ২০ জানুয়ারি থেকে ওই চুক্তি বাস্তবায়ন শুরু করেছে দু’পক্ষ। কিন্তু সিরিয়া নিয়ে পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের মতবিরোধের ফলে সে চুক্তির বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্থ হবে কি-না, সে বিষয়টি স্পষ্ট করলেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র।

Facebook Comments