‘বিশ্বকাপ আয়োজন অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল’

বিশ্বের ১৬টি দেশের অংশগ্রহনে দেশের ৮টি ভেন্যুতে মাঠে গড়ায় একাদশতম অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। আয়োজক হিসেবে তাই বাংলাদেশকেই সামলাতে হয় সকল ঝক্কি-ঝামেলা। গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ। রোববার ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে এই মহাযজ্ঞের।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ক্রিকেটারদের থাকা, খাওয়া, চলাফেরা, মাঠ প্রস্তুত করাসহ ছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেয়ার মতো গুরুতর বিষয়ও। টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র কয়েকদিন আগে নিরাপত্তার খোড়া অযুহাত দিয়ে অস্ট্রেলিয়া অংশ না নেওয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টি একটু বেশিই অগ্রাধীকার পায়। তাই চ্যালেঞ্জটা একটু বেশিই ছিল। তারপরেও এমন চ্যালেঞ্জ নিয়ে সফল হয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটে বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে টুর্নামেন্ট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সন্তুষ্টির কথা ব্যক্ত করেন। এসময় সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিসি’র প্রেসিডেন্ট জহির আব্বাস ও সিইও ডেভিড রিচার্ডসন।

বললেন, ‘আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজন অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। কাজটি খুব সহজ ছিল না। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমার ভীষণ ভাল লাগছে এই ভেবে যে, আমরা টুর্নামেন্টটি সফলভাবে আয়োজন করতে পেরেছি।’

আর এমন সফল আয়োজনের জন্য বিসিবি’র কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পাশাপাশি তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

একটি সফল আয়োজনের পর ক্রিকেট বিশ্বকে কি বার্তা দিতে চান? এমন প্রশ্নের উত্তরে বিসিবি প্রধান বলেন, ‘আমার তো নতুন করে কিছু বোলার নাই। আমরা এর আগেও ২০১১ বিশ্বকাপ আয়োজন করেছি। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করেছি। এছাড়াও বেশ কয়েকবার এশিয়া কাপ আয়োজন করছি এবং প্রত্যেকবারই তা সফল হয়েছে। তবে একটা জিনিস বলতে চাই, সেটা হলো আমাদের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আছে। যদি আপনি একটা দেশকে সব ধরণের নিরাপত্তা দিতে পারেন তাহলে সকল দেশেই যাওয়া উচিৎ।’

ফ্রান্সের উদাহরণ টেনে তিনি আরও বললেন, ‘বর্তমান সময়ে কোন দেশ নিরাপদ? আপনি কি বলতে পারবেন লন্ডন অথবা যুক্তরাষ্ট্রে কিছু হবে না! ফ্রান্সের ঘটনার পর আমরা খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তবে শেষ পর্যন্ত আমরাও সফলভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পেরেছি। কারণ, আমাদের সেই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।’

Facebook Comments