সিটি ইউনিভার্সিটির শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু

জমকালো মহড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পর্দা উঠেছে ‘সিটি ইন্ট্রা- ইউনিভার্সিটি শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০১৬’-এর। সিটি ইউনিভার্সিটির সাভারস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসের খেলার মাঠে রোববার টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হয়। বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের ৩২টি টিম টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে।

বিবিএ ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র লেকচারার ও সিটি ইউনিভার্সিটির স্পোর্টস বিষয়ক চিফ সাব্বির হাসান চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো.  ফারুক আহমেদ ও বিশেষ অতিথি ছিলেন এস্টেট অফিসার হুমায়ুন কবির।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিবিএ ডিপার্টমেন্টের হেড আব্দুস সালাম সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন টেক্সটাইল ডিপার্টমেন্টের কোর্স কো–অর্ডিনেটর মো. আরিফুজ্জামান, বিবিএ ডিপার্টমেন্টের লেকচারার সঞ্জয় কুমার, জুবায়ের হাসানসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক।

সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হয় অনুষ্ঠান। সঞ্চালক সাব্বির হাসান চৌধুরী একে একে ৩২টি দলের নাম ঘোষণা করেন। এক এক করে  ম্যানেজার ও ক্যাপ্টেনসহ মাঠে প্রবেশ করে বিবিএ গ্রিপস – ৮, রেইনবো রাইডারস, সিটি  থান্ডার, সংশপ্তক, ইংলিশ গ্যালাক্সি, সিএসই নিউ ফ্রেন্ড ফাইটারস, নালিতাবাড়ি ওয়ারিয়র্স, সিটি  স্মেশার্স, সিটি রয়েলস, বিবিএ রাইজিং স্টার, ৩৬ এপোলো ১১, এমএইচটিএফ ৩০৯, বিবিএ ৩৩ ভিক্টোরিয়ান্স, সিটি ফাইটার্স, ৩২ টাইগার আইস, বিবিএ হাঙ্ক, সাইলেন্ট পাওয়ার, নাইট  ফাইটার্স, এফআর ফাইটার্স, ড্রিম বয়েজ বরিশাল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস, সিটি অনির্বাণ, ট্রিপল ই এটাকার, নিউ নর্থ ওয়েলস, ফসিল, দি ফ্রেন্ডস অব স্পিরিট, সিটি ডেস্পারেটর, গোল্ডেন ফাইটার্স ।

পরে উপস্থিত দলগুলোকে শপথ বাক্য পাঠ করান লেকচারার সাব্বির হাসান চৌধুরী।

বক্তারা বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা মানসিক উৎকর্ষ সাধনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এরকম আয়োজন আরও করা হবে এবং ইউনিভার্সিটির জন্য যথাযথ সহযোগিতা দেবে।

এরপর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রথমে নাচ পরিবেশন করেন বিবিএ ডিপার্টমেন্টের ছাত্রী মির্জা আইরিন তন্নি ও তার দল। এরপর একে একে বিভিন্ন টিম তাদের পরিবেশনা উপস্থাপন করে। বিভিন্ন দল নাচ, গান, কৌতুক পরিবেশন করে সবাইকে মাতিয়ে তোলে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিকেল থেকেই মাঠে জড়ো হতে থাকে  সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্র – ছাত্রীরা। অনুষ্ঠান শুরুর সময় পুরো মাঠ দর্শক দিয়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। মাঠে দুপাশে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আলাদা প্যান্ডেলের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও মাঠ সংলগ্ন মেয়েদের দুটি হলের বারান্দাতে বসে অনুষ্ঠান উপভোগ করেন বিপুল সংখ্যক ছাত্রী। রাত সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠান শেষ হয়।

Facebook Comments