রাজাপুরের ব্যাংকগুলোতে নিচ্ছে না ধাতব মুদ্রা, ব্যবসায়ীরা বিপাকে

Rajapur photoরাজাপর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির  রাজাপুরের  ব্যাংকগুলোতে  ধাতবমুদ্রা  গ্রহণ  করছে  না  বলেঅভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে এ উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও গ্রাহকরাবিভিন্ন মানের ধাতব মুদ্রা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। এসব ব্যাংককর্মকর্তারা  খামখেয়ালি  করে  ব্যবসায়ী ও  গ্রাহকদের  এ মুদ্রা গ্রহনকরছে না  বলে  অভিযোগ। জানা গেছে, উপজেলা সদরে সোনালী ব্যাংক,পূবালী  ব্যাংক,  কৃষি  ব্যাংক  ও  অগ্রনী  ব্যাংকের  শাখা  রয়েছে।  এসবব্যাংকের  গ্রাহকরা  এক টাকা,  দুই টাকা ও  পাঁচ  টাকার  ধাতব মুদ্রানিয়ে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন অজুহাতে এই সকল মুদ্রা নিতেঅপারগতা  প্রকাশ  করছেন।  ব্যাংক  কর্তৃপক্ষের  এমন  ভূমিকায়  খুচরা  ওপাইকারী  ব্যবসায়ীরাসহ  গ্রাহকরা  এ  ধাতব  মুদ্রা  নিয়ে  বিপাকেপড়েছেন। এমতাবস্থায় ব্যবসায়ীদের কাছে সাধারন মানুষ কোন দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করতে গেলে ব্যাবসায়ীরাও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দোহাই দিয়ে মুদ্রাফিরিয়ে দিচ্ছেন অভিযোগ রয়েছে। দোকানীরা ক্রেতাদের বলছে, “কাগজেরটাকা নিয়ে আসো এই পয়শা এখন আর  চলে  না।  এ ব্যাপারে  রাজাপুরেব্যবসায়ী বাদশা খাঁন জানান, তার কাছে ২০ হাজার টাকার কয়েন (ধাতবমুদ্রা) অলস পরে আছে ব্যাংক নিচ্ছে না। তাই বর্তমানে মুদ্রা নেয়া বন্ধকরে  দিয়েছি।  রাজাপুর  সদর  ডাকবাংলো  মোড়ের  খুচরা  ব্যাবসায়ীএস্কেন্দার  আলী  জানান,  তার  কাছে  বিভিন্ন সময়  জমানো  ১০  হাজারটাকা মূল্যের কয়েন রয়েছে। তিনি এ কয়েন টাকা ব্যাংকে জমা দিতে গেলেব্যাংক কর্তৃপক্ষ রাখেনি। পরে সেই ১০ হাজার টাকার কয়েন ১ হাজার টাকালোকসান দিয়ে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি। এভাবে একাধিকব্যবসায়ীরা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মানুযাীয় প্রচলিত মুদ্রাবাংলাদেশের  যেকোন  আর্থিক প্রতিষ্ঠান  নিতে বাধ্য  কিন্তু  এই  ধাতবমুদ্রার  বিষয়ে  সরকার  বা  কেন্দ্রিয়  ব্যাংকের  কোন  প্রকার  নির্দেশনাছাড়াই  স্থানীয়  ব্যাংকগুলোর  এমন  আচরন  দুঃখজনক।  এ  বিষয়ে  সোনালীব্যাংকের  উপজেলা  কর্মকর্তা  মোঃ  আলতাব  হোসেন  জানান,  ব্যাংকেজায়গা  নেই  তাই  ধাতব  মুদ্রা  নিতে  পারছি  না।  পূবালী  ব্যাংকেরব্যবস্থাপক আমিনুল হক হাওলাদার জানান, ধাতব মুদ্রা গ্রহন করি নাইশাখায় এমন কোন ঘটনা এখন পর্যন্ত ঘটে নেই। সব ধরনের টাকাই জমানিচ্ছি এবং নেব। এ বিষয়ে উপজলো কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা নূপুর কৃষ্ণ মন্ডল জানান, এ শাখায় তিনি এ সমস্যার সম্মুখিন হননি।

Facebook Comments

Leave a Reply