গাবতলীতে পাওয়ানা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হাটের মধ্যে সংষর্ঘ আহত-১০

মুহাম্মাদ আবু মুসা : বগুড়ার গাবতলীতে পাওয়ানা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হাটের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত শনিবার সন্ধ্যা রাতে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের আটাপাড়া হাট-বাজারে ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, সোনারায় গ্রামের আব্দুল মজিদ মন্ডলের ছেলে আনোয়ার হোসেন এর নিকট থেকে আটাপাড়া সোনারায় গ্রামের আকবর আলী প্রামানিকের ছেলে আমিনুর ইসলাম প্রায় ৪০হাজার টাকা পাওয়ানা রয়েছে বলে দাবী করে। বেশ কিছু দিন অতিবাহিত হলেও উক্ত টাকা না পাওয়ায় গত শনিবার আনোয়ার হোসেনের মোটর সাইকেল অন্য একজন নিয়ে আটাপাড়া হাট-বাজারে আসলে মোটর সাইকেলটি দেখে আটকে রেখে দেয় আমিনুর ইসলাম ও তার লোকজন। আনোয়ার হোসেনও তার (আমিনুর) কাছে থেকে টাকা পাবে বলে দাবী করে সন্ধ্যায় মোটর সাইকেলটি উদ্ধারের জন্য সোনারায় থেকে আনোয়ার হোসেন দলবদ্ধ হয়ে আটাপাড়া হাট-বাজারে আসে। আমিনুর ইসলাম তার আতœীয়দের নিয়ে ওই হাট-বাজারে প্রতিদিন গরু গোস্ত বিক্রি করে। যে কারনে তাদের কাছে গোস্ত কাটার জন্য দা, চাকু থাকেই। তাই আনোয়ার হোসেন দলবদ্ধ হয়ে আটাপাড়া হাট-বাজারে আসার সাথেই কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁেধ যায়। এতে গুরুত্বর আহত হয় ওই সোনারায় গ্রামের আব্দুল মজিদ মন্ডলের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৫), আবুল কালাম আজাদের ছেলে কামরুল ইসলাম (২৮), সামছুল হকের ছেলে আজম খান (৩৫), কাজল খান (৩৭), আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের ছেলে সুজন আহম্মেদ (২৫), তোতা আকন্দের ছেলে সুলতান আহম্মেদ (৩২), আব্দুর রশিদ কাজীর ছেলে রিফাত কাজী (১৯)। এ ছাড়া প্রতিপক্ষ আটাপাড়া সোনারায় গ্রামের আকবর আলীর ছেলে আমিনুর ইসলাম (২৪), খোরশেদ আলমের ছেলে মন্জু মিয়া (২৫), বিপ্লব মিয়া (১৬), সোনারায় গ্রামের মৃত আঃ লতিফ রহমত উল্লাহ প্রামানিকের ছেলে জহুরুল ইসলাম (৪৮) আহত হয় বলে খবর পাওয়া গেছে। আহত জহুরুল ইসলাম জানান, আনোয়ার হোসেন দলবদ্ধ হয়ে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি সোটা নিয়ে অর্তকিভাবে হামলা চালালে আমরা প্রতিরোধ করি। এ সময় গোস্ত বিক্রি করার ৮০হাজার টাকা খোয়া যায়। আহত আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্যরা জানান, আমিনুররা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারালো অস্ত্র ও লাঠি সোটা নিয়ে আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে গুরুত্ব রক্তারক্তভাবে আহত করে। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন পক্ষের মামলা হয়নি। এ ব্যাপারে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ও দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল, এখনো কোন পক্ষ মামলা দেয়নি। তবে মামলা দিলে যথাযথভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Facebook Comments