যুক্তরাজ্যফেরত যাত্রীদের নিজ খরচে থাকার হোটেল সংখ্যা এখন ১৭

বিশেষ সংবাদদাতা : যুক্তরাজ্যফেরত যাত্রীদের নিজ খরচে কোয়ারেন্টাইনে থাকার আবাসিক হোটেলের সংখ্যা আরো ১০টি বৃদ্ধি করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। গত ১ জানুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যফেরত যাত্রীদের বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম চালু হয়। এক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে সাতটি আবাসিক হোটেলের ভাড়াসহ অন্যান্য সব সেবার হার নির্ধারণ করে দেয় সরকার। দ্বিতীয় দফায় আরো ১০টি হোটেলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

১২ জানুয়ারি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব ড. বিলকিস বেগম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে উচ্চ সংক্রমণশীল করোনার নতুন ধরন শনাক্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে সারাবিশ্বের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়। বাংলাদেশে যেন এ ভাইরাসের সংক্রমণল না হয় সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৮ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত অনুশাসন দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যফেরত যাত্রীদের নিজ খরচে হোটেলে অবস্থানের জন্য মোট ১৭টি হোটেল সেবার মূল্যসহ নির্ধারণ করা হয়।

হোটেলগুলো হলো- বারিধারার এসকট দি রেসিডেন্ট লিমিটেড, গুলশানের দি ওয়েস্টিন ঢাকা, বারিধারার এসকট প্যালেস লিমিটেড, বনানীর প্লাটিনাম হোটেলস বাই শেলটেক, গুলশান-২ এর লংবিচ সুইটস, গুলশান-২ এর হোটেল লেক ক্যাসেল, উত্তরার বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস ম্যাপেল লিফ, গুলশান-২ এর হোটেল বেঙ্গল রুবেরি, বারিধারার ডেইজ হোটেল, বনানীর মনসুন ইন প্রাইভেট লিমিটেড, বনানীর হোটেল আফতাব আওয়ার্স রেসিডেন্টস, বনানীর গোল্ডেন টিউলিপ, গুলশান-২ এর হোটেল ট্রপিক্যাল ডেইজি, বনানীর হোটেল সুইট ড্রিম, কারওয়ানবাজারের হোটেল লা-ভিঞ্চি এবং আমাজান লিলি লেকভিউ রেসিডেন্টস।

উল্লেখ্য, বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে জেনেও যুক্তরাজ্য থেকে অনেকেই দেশে ফিরছেন। গত ১ জানুয়ারি থেকে প্রায় পৌনে তিনশ যাত্রী দেশে ফিরেছেন।

Facebook Comments