গাবতলীতে নিখোঁজের ৪দিন পর যুবক শামীমের লাশ উদ্ধার

মুহাম্মাদ আবু মুসা : বগুড়ার গাবতলীতে নিখোঁজ হওয়ার ৪দিন পর যুবক শামীম হোসেন (২৩) এর লাশ উদ্ধার হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে লাশের সুরতহাল রির্পোট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছেন। গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের সোনাকানিয়া দহের আগারীর কচুরীপানা’র মধ্যে থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শামীম উপজেলার পাশ^বর্তী নশিপুর ইউনিয়নের নিজগ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে। জানা গেছে, শামীম হোসেন গত ৬নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৮টায় কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে আর ফিরে আসেনি। তার ব্যবহারিত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে আতœীয় স্বজনসহ বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুজি করে তার কোন সন্ধান পাওয়া না গেলে গত ৭নভেম্বর তার মামা মহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন। যার সাধারণ ডায়েরী (জিডি) নং ২৮২, তাং ০৭-১১-২০। জিডি’র বাদী মহিদুল ইসলাম স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়ে ছিলেন, নিখোঁজ হওয়া শামীম হোসেন কিছু দাদনের ব্যবসা করতো। দাদনের টাকা নিয়ে কিছু মানুষের সাথে দ্বন্দ্ব থাকায় তারা শামীমকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। এ ছাড়া নারী সংক্রান্ত একটি ঘটনাও ছিল বলে তিনি (বাদী মহিদুল) জানিয়ে ছিলেন। যে কারনে পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে ছিলেন তিনি। এর এক পর্যায়ে গতকাল সোমবার সকাল আনুমানিক ৭টায় উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের সোনাকানিয়া দহের আগারীতে একজন কৃষক তার জমিতে কচুরীপানা পরিস্কার করতে গেলে কচুরীপানা’র মধ্যে লাশটি দেখতে পায়। পরে আশে পাশের লোকজনকে ঘটনাটি জানালে পুলিশকে সংবাদ দেয়া হয়। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নুরুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, শামীমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, তার গলায়, কানে ও হাতের কনুই’র উপরেসহ শরীরে বেশ কয়েকটিস্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চিহ্ন পাওয়া গেছে। ওসি মোঃ নুরুজ্জামান জানান, হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

Facebook Comments