ফকিরহাটে এনজিও কর্মীকে দলবেঁধে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ

মান্না দে, ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার লখপুর ইউনিয়নের জাড়িয়া-মাইটকুমড়া এলাকায় এক এনজিও কর্মী (২৫) কে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভিকিটিম নিজে বাদী হয়ে ফকিরহাট মডেল থানায় ৪জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেছে। যার নং-০৭,তারিখ-১১/১০/২০২০ই, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৯ (৩), পর্ণ গ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২এর ৮ (১)তৎসহ পেনাল কোড আইনের ৩৯২। মামলার ১নং আসামী উক্ত গ্রামের মো: শের আলী শেখের পুত্র মো: মামুন শেখ (৩০) কে পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়েছে। অপর আসামী ফিরোজ নিকারী, রাজু ও মুসা পলাতক রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) বাবুল আক্তার মামলার বরাত দিয়ে জানান, জাড়িয়া মাইট-কুমড়া এলাকায় ১০ অক্টোবর (শনিবার) গভীর রাতে বিষ্ণু পদ কুন্ডুর বাড়ীর ঘরের টিন খুলে ভাড়াটিয়া সাস এনজিও নারী কর্মীর ঘরে জোর পূর্বক প্রবেশ করে। এরপর মেয়েটিকে পাশের ঘরে থাকা একই এনজিও এর হিসাব রক্ষক বিশ্বজিৎ ঘোষের ঘরে নিয়ে দুজনকে প্রতারনা করার জন্য ভিডিও ধারন করে এবং এক লক্ষ টাকা দাবী করে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় বিশ্বজিৎকে মারপিট করে। এসময় বিশ্বজিতের মানিব্যাগ থেকে ১০হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। তারপর পুনরায় উক্ত এনজিও নারী কর্মীকে নিয়ে তার নিজের কক্ষে নিয়ে আসে। সেখান থেকে নারী কর্মীর ঘরে থাকা নগদ ১৬হাজার টাকা নেয় এবং গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ও এক জোড়া কানের দুল ছিনিয়ে নেয়। এরপর উক্ত আসামীরা উক্ত এনজিও নারীকর্মীকে বিবস্ত্র করে গনধর্ষন করে ভিডিও ধারন করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। খবর পেয়ে মডেল থানা পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে। বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ মো: খায়রুল আনাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজন আসামীকে আটক করা হয়েছে। এদিকে ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Facebook Comments