মিয়ানমারে নির্বাচন পেছানোর দাবি বিরোধীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে মিয়ানমারের প্রধান বিরোধীদল দ্য ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) ছাড়াও অনেক ছোট ছোট দল দেশটির নভেম্বরের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচন পেছানোর দাবি জানিয়েছে। খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার।

করোনার প্রকোপের মধ্যেই মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে। গত ১ জুলাই দেশটির নির্বাচন কমিশন আগামী ৮ নভেম্বর নির্বাচন হতে যাচ্ছে বলে ঘোষণা দেয়। কিন্তু নির্বাচন পেছানোর দাবি জানানো বিরোধীদলগুলো বলছে, করোনার বিধিনিষেধের কারণে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা সম্ভব হচ্ছে না।

দলগুলো আরও বলছে, গত সপ্তাহ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলেও ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জারি সরকারি বিধিনিষেধের কারণে তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আর এই সুযোগে এর ফায়দা তুলছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল অর্থাৎ অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি বা এনএলডি।

৮ নভেম্বর একই সঙ্গে ১ হাজার ১৭১টি আসনে নির্বাচন হবে। এই আসনগুলো তিনটি স্তরের। কেন্দ্রীয় পার্লামেন্ট, আঞ্চলিক ও প্রদেশের প্রতিনিধিসভা মিলে ওই আসনসংখ্যা। কেন্দ্রীয় ‘ইউনিয়ন পার্লামেন্ট’-এর আবার দুটি কক্ষ। স্থানীয়ভাবে বলা হয়, ‘আমোথা হুলুথ’ (উচ্চকক্ষ) এবং ‘প্লিথু হুলুথ’ (নিম্নকক্ষ)।

মিয়ানমারের এবারের নির্বাচনের মূল আকর্ষণ কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্লিথু হুলুথকে ঘিরে। এখানে আসন সংখ্যা ৪৪০টি। তবে নির্বাচন হবে ৭৫ ভাগ আসনে। বাকি আসন সেনাবাহিনীর জন্য সংরক্ষিত। নির্বাচন না করেই সেনাবাহিনী জনপ্রতিনিধিত্বের ২৫ ভাগ আসন নিজেদের হাতে রাখে। এটাই দেশটির সাংবিধানিক রীতি।

Facebook Comments