বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জ্যাকশন মাইকেল রোজারিও : বাংলা ও বাঙ্গালির হৃদয়ে লেখা নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।এই স্লোগান নিয়ে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে,জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফুলু সরকার- সভাপতি, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি। সঞ্চলনায় ছিলেন অধ্যাপক এইচ এম সেলেইমান চৌধুরী সুজন- সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, মাননীয় তথ্য মন্ত্রী- হাসান মাহমুদ এমপি তার বক্তব্যে, বঙ্গবন্ধু,বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য, জাতীয় চারনেতা এবং ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদদের স্মরণে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে হাজার বছরের ঘুমন্ত বাঙালী জেগে উঠে বলতে পেরেছে, তুমার আমার ঠিকানা পদ্মা,মেঘনা,যমুনা। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও রাজাকার, আলবদররা দেশেকে পাকিস্তানে পরিণত করার পরিকল্পনায় লিপ্ত ছিল। ১৫ই আগস্ট মোস্তাক, জিয়া পরিকল্পনা করেই বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করিয়ে ছিল। জাতীয় চারনেতাও তাদের হত্যা পরিকল্পনা থেকে বাদ যায়নি। ১৯৭৫ এর ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয় বাংলার জাতীয় চারনেতাকে। জিয়া যে রাজনীতি করে গেছে তা ছিলো গুম, খুন ও সন্ত্রাসের রাজনীতি। বিএনপি এখনও সেই পথেই হাটছে। পেট্রোল বোমা মেরে ৫০০ মানুষ হত্যা করেছে। জাতির কাছে যদি তারা মাফ না চায় তবে জনগণ তাদের গ্রহণ করবেনা। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে এক অনন্য রুপে পরিচিতি দিয়েছে। উন্নয়নশীল একটি দেশ হিসেবে পরিণত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত, সাবেক আই জি পি- এ কে এম শহিদুল হক তার বক্তব্যে, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতাকে স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু একজন মহাপুরুষ ইতিহাসের মহানায়ক। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন একটি ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র্য মুক্ত, স্বাধীন বাংলাদেশ। সেই সময় রাজাকার, আলবদর ও দশদ্রোহীদের ষড়যন্ত্রে দেশে দেখা দিয়েছিল খাদ্য সংকট। বিশ্বাসঘাতক মোস্তাক ও জিয়া পরিকল্পনা করেই এইসব অপকর্ম করেছিল। জিয়া ছিলেন একজন সরকারি কর্মচারী সে কখনোই স্বাধীনতার ঘোষক হতে পারেনা। এই মোস্তাক, জিয়া হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর খুনের মূল হোতা। বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস আজ বিশ্ব নন্দিত, আমদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বঙ্গবন্ধু কণ্যা জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে। করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও আজ প্রসংশা করছেন বাংলাদেশের।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব নাদিরা ইয়াসমিন জলি- সংসদ সদস্য,সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৩। এ সময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। তপু মল্লিক- সভাপতি গাজীপুর জেলা কমিটি, নজরুল ইসলাম- সভাপতি গাজীপুর মহানগর কমিটি। মতিলাল দাস সহ-সভাপতি, জ্যাকশন মাইকেল রোজারিও সাংগঠনিক সম্পাদক-গাজীপুর জেলা কমিটি এবং দেশের বিভিন্ন স্থান হতে আগত জেলা উপজেলার – বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা পরিষদ কমিটির নেতৃবৃন্দ।

Facebook Comments