ত্রাণ বিতরণে কোনও দুর্নীতি হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি গণমাধ্যমকে জানাতে হবে

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে কর্মহীন পরিবারের ভিতর ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এ কাজ চলবে ঈদের পরেও। ‘করোনা সংক্রমণ বিস্তার রোধে দেশব্যাপী ধারাবাহিক লক ডাউনের কারণে খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সরকার এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি দেশব্যাপী একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির বিভিন্ন শাখা এপ্রিল মাসের শুরু থেকে লক ডাউনের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিকট স্বাস্থ্য-সুরক্ষা ও ত্রাণসামাগ্রী পৌছে দিচ্ছে। গত ৫০ দিনের এই ত্রাণ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার দুপুর ১২ টায় বিএমএ মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি খুলনা জেলা কমিটি উদ্যোগে কর্মহীন মানুষেদের ভেতর ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে।
খুলনা জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ এর আগেও শহীদ মিলন চত্বরে নিজস্ব উদ্যোগে এলাকায় জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ সহ স্বাস্থ্য-সুরক্ষা ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন। এই ত্রাণ কার্যক্রমে নির্মূল কমিটির সভাপতি, বিএমএ’র সভাপতি ডা: শেখ বাহারুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেনের নেতৃত্বে এক দল তরুণ কর্মী অংশ গ্রহণ করেছেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা সংকটকালে ক্ষতিগ্রস্থ দুর্গত মানুষের জন্য যে বিশাল প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন তা প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিকট পৌছাচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য এবং ত্রাণ বিতরণে কোনও অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি গণমাধ্যমকে জানানোর জন্য। একই সঙ্গে সরকারের পাশাপাশি সকল বিত্তবান মানুষ এবং দল ও সংগঠনকে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে মানবতার স্বার্থে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াবার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি