মেকআপের কড়চা নিয়ে সানিতা বৃষ্টি

আনিশা সকালে সুন্দর সাজগোজ করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছে অফিসে যাবে বলে, অথচ কয়েক ঘণ্টা যেতে না যেতেই মেকআপের বারোটা! রোদে ঘামে চোখের কাজল স্মাজ করে একসা। এদিকে তানজিয়া কফি খেতে গিয়ে লিপস্টিকের অর্ধেকটাই উধাও, দুপুর না গড়াতে ফাউন্ডেশনের ছিটেফোঁটাও আর বোঝা যাচ্ছে না, সব মিলিয়ে সে এক যাচ্ছেতাই ব্যাপার! ফলে টাচআপ করার জন্য মেকআপের জিনিসপত্র ঠুসে ঠুসে ব্যাগে ঢোকানো ছাড়া আর উপায় কী! সাজগোজ করতে ভালোবাসেন এমন বেশিরভাগ মেয়েই এভাবে চলাফেরায় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

তবে বিশেষ ক্ষেত্রে কিংবা উৎসবের দিনে আলতো করে প্রোফেশনাল ছোয়া পেলে লুকটা আরো নজরকাড়া হতে পারে, এবং বেড়ে যেতে পারে মেকআপের স্থায়িত্ব। একটা সুন্দর ও নিঁখুত মেকআপ আপনার লুকটাই পুরো বদলে দিতে পারে। সঠিক মেকআপ আপনার সৌন্দর্য কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।  ১৮ পেরোতেই প্রোফেশন হিসেবে মেকআপ আর্টকে সঙ্গী করে নেয়া সানিতা’র কাছ থেকে মেকআপের অনেক খুটিনাটি সম্পর্কে জানা যায়।

পরিচ্ছন্ন ত্বক, প্রাইমারের আর যাচাইকৃত ফাউন্ডেশনের ব্যবহার এবং সবশেষে ত্বককে বরফের শীতলতা দেয়ার মাধ্যমেই মূলত মেকআপ দীর্হাস্থায়ী করার বেপারে যুক্তি দেন ‘মেকআপ বাই সানিতা’র ও’নার সানিতা বৃষ্টি। তবে মেকআপ করার আগে রঙচঙা বিজ্ঞাপন আর ভিডিও’র চমকে আগ্রহী না হয়ে ম্যাটেরিয়াল যাচাই বাছাই করে এবং বিশেষ করে ত্বকের স্কিনটোন বুঝে নিতে বলেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশনে অধ্যয়নরত সানিতা।

রোদ ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে আপনার জরুরী প্রয়োজনে ব্রাইডাল মেকআপের জন্য হোম সার্ভিস পেতে সানিতা’র মেকআপ পেইজটিতে শিডিউল নিয়ে রাখতে পারেন। কিংবা মগবাজারের আশেপাশে হলে চলে আসতে পারেন তার মেকআপ স্টুডিওতে।

Facebook Comments