নান্দনিক শিল্পকর্ম আর স্মার্ট ইন্টেরিয়র নিয়ে জাহিদের ‘খড়কুটো’

সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের কাজের ক্ষেত্রও বাড়ছে। নিত্য নতুন এসব কর্মক্ষেত্রে নিজেদের যুক্ত করে অনেকেই সফলভাবে তাদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন।  প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আবশ্যকতা না থাকার কারনে ইন্টেরিয়র ডিজাইনে ক্যারিয়ার বেছে নিয়েছেন অনেকেই। রুচিশীল ডিজাইন আর  নান্দনিক কারুকাজ দিয়ে এই পেশাকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়া তেমনি একজন জাহিদ আকতার।

প্রতিটি স্থানকে কাজে লাগিয়ে আসবাব, লাইট, গৃহসজ্জা সামগ্রীর যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে বাড়ি, অফিস বা যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে আরামদায়ক ও নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করাই “খড়কুটো”র কর্নধার জাহিদের প্রধান লক্ষ্য। আগে আমাদের দেশে স্থপতিরাই সাধারনত কোন ভবন নির্মাণের পাশাপাশি তার ইন্টেরিয়র ডিজাইন করতেন। কিন্তু বর্তমানে আর্কিটেকচার ও ইন্টেরিয়র ডিজাইন পৃথকভাবে করা হচ্ছে।

ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশে জায়গার সংকট সব খানেই, তাই স্বল্প পরিমান জায়গাকে সর্বোচ্চ ব্যবহার উপযোগী করাই সবার মুল লক্ষ্য থাকে। তবে উন্নয়নশীল হওয়াতে উন্নয়েনের ছোঁয়া লাগছে প্রায় সব সেক্টরেই। তাই সবার চিন্তা থাকে অন্য সবার চাইতে নিজের অফিস কিংবা বাসাটা একটু ভিন্ন, যুগোপযোগী হোক। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশনের পর গৎবাঁধা চাকুরি বাকরি না করে নিজের সৃষ্টিশীল চিন্তা ভাবনা দিয়েই উন্নয়নের অংশীদার হতে চেয়েছেন জাহিদ।

বর্তমানে রিয়েল এস্টেট শিল্পের বিকাশের মাধ্যমেই দেশে গড়ে উঠছে হাজার হাজার এপার্টমেন্ট ও কমার্শিয়াল বিল্ডিং। গড়ে উঠেছে দোকান/শো-রুম ইত্যাদি। তাই বেড়ে চলেছে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের গুরুত্ব এবং পাশাপাশি ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের চাহিদা। আপনার ছোট্ট এপার্টমেন্ট বা অফিসকে দৃষ্টিনন্দন করার পাশাপাশি এর প্রতিটি স্থানকে সঠিক ও সফল ভাবে ব্যবহার উপযোগী করার জন্য ঘুরে আসতে পারেন গুলশান নিকেতনে জাহিদের “খড়কুটো” অফিসে, কিংবা ফেসবুকে Khor Kuto পেইজটাতে। যেখানে পেতে পারেন দেশীসহ বিদেশী ম্যাটেরিয়ালে কারুকার্যপূর্ন অসংখ্য সমাধান।

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া জাহিদের এই ‘খড়কুটো’ গড়ে তুলতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। শখ আর রুচিবোধ থেকে প্রথমে বন্ধুদের সাথে ছোট পরিসরে ইন্টেরিয়র পেশা শুরু করলেও দিনে দিনে তার মাথায় ডিজাইন আর ব্যতিক্রমধর্মী ম্যাটেরিয়ালের নান্দনিক কম্পোজিশন ডানা মেলতে থাকে। ফলে এটাকেই প্রশান পেশা এবং নেশা হিসেবে নিয়েছেন তিনি।

Facebook Comments