“মা”

শাহিনুল ইসলাম শাহিন//
বয়স বাড়ছে, বাড়ছে ব্যাস্ততাও। তবুও বাবা-মায়ের প্রতি একটু বেশি টেক কেয়ারের কথা ভুলে যাবেন না।
মাঝে মাঝে আমরা ভুলে যাই, তাদেরও বয়স বাড়ছে । তারাও আরো বেশি টেক কেয়ার আশা করেন।
আজ “মা” দিবস। মাকে ভালবাসতে আলাদা কোন দিন লাগে না। তবুও একটা দিন না হয় একটু আলাদা করেই মাকে জড়িয়ে ধরে বললেন,”অনেক ভালোবাসি মা” তোমাকে।। ফেসবুকের পাতায় লাইনের পর লাইন লিখলেও মা সেটা জানবে না, বরং মাকে রান্নাঘরে গিয়েই বলুন না কথা।
রেলস্টেশনে চা বিক্রি করা এক ছেলেকে একবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম, “কিরে আজকে বেচা বিক্রি কেমন হইলো?” বললো, “ভালাই”।। জিজ্ঞাসা করলাম, “ট্যাকা দিয়া কি করবি?” বলেছিলো, “মায়ের জ্বর হইছে। ওষুধ কিনুম। মায়ে জ্বর হইলে কিচ্ছু খাইতে পারে না, খালি কেক খাইতে পারে। মায়ের লাইগা ১০ ট্যাকা দিয়া কেক কিনুম। কেক খাইয়া মায়ে ওষুধ খাইবো। মায়ের রোগ হইলে আমার কিচ্ছু ভাল্লাগে না”।
মায়েরা হয়তো টিভিতে দেখবে “মা দিবস” এর কথা। আশা করবে, নিজের সন্তানদের কাছ থেকেই ভিন্ন কিছু পাওয়ার। বেশি কিছু প্রয়োজন নেই, কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করুন, মায়ের কাজে একটু সহায়তা করুন, মাকে আন্তরিকতার সাথে একবার জিজ্ঞাসা করুন, “মা, ভালো আছো?”
যারা মায়ের কাছ থেকে দূরে, তারা একটু সময় নিয়ে দুটি কথা বলুন। দূর থেকেই না হয় বলুন, “ভালোবাসি মা, ভালোবাসি তোমায়”।
মায়ের মতো অমুল্য সম্পদ যাদের গত হয়েছেন, তারা একটু কষ্ট করে না হয় মায়ের জন্যে প্রার্থনা করুন। মাকে মনে করুন, শত ব্যাস্ততার মাঝেও।
লিখেছেন: শাহিনুল ইসলাম শাহিন

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

Facebook Comments