শার্শায় নবজাতক শিশু উদ্ধার ঠাই হলো কৃষকের ঘরে : আসল ঘটনা ফাঁস

এস এম মারুফ, বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শার কাঠুরিয়া গ্রামের পটল ক্ষতের পাশ থেকে এক নবজাতকের উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। অবশেষে নবজাতকের ঠাই হয় স্থানীয় এক কৃষকের ঘরে। নিখুঁত অভিনয় করতে গিয়ে ধরা খেল কৃষক। বেরিয়ে এলো হাড়ির খবর।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার কাঠুরিয়া গ্রামের পটল ক্ষেতের আইলের উপর থেকে বস্তাবন্দী অজ্ঞাত নবজাতক শিশুটি উদ্ধার করেন, একই গ্রামের বজলুর রহমান নামের এক কৃষক।

যে কৃষক উদ্ধারের নামে মিথ্যা অভিনয় করে যাচ্ছে, তারা আসলে এক পরিবারেরই! কিন্তু মিথ্যা অভিনয় করলো কেন? অজ্ঞাত নবজকের পরিচয় কি? এমন প্রশ্নের উত্তর খুজতে গিয়ে বের হল আসল রহস্য নবজাতক বাচ্চাটি আসলে তারই মেয়ে স্বামী পরিত্যক্ত নাজমা
বেগমের অসামাজিক কার্যকলাপের ফসল।

কৃষক বজলুর রহমানের ভাই ফজলুর রহমান বলেন, স্বামী পরিত্যক্তা কলেজ পড়ুয়া মেয়ের সদ্য প্রসব করা নবজাতকটি আসলে তাদের পরিবারেরই সদস্য! তিনি আরও বলেন, তার কোন সন্তান নেই যার কারণে ভাতিজার অবৈধ সন্তানকে নিজের কাছে রাখতেই এ অভিনয়।

জানা যায়, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার শ্রীরামকাটি কুলি গ্রামের সাকিল হোসেন বকুল নামে এক কুল ব্যবসায়ী ও নাজমা খাতুনের অবৈধ সম্পর্কের ফসল এই নবজাতক বাচ্চাটি। নবজাতক বাচ্চাটি যে নাজমা খাতুনের, এটা তার পরিবার অস্বীকার করলেও সাংবাদিকদের কাছে নাজমা খাতুন সত্যটি স্বীকার করেছে। সে তার বড় চাচা বজলুর রহমানের স্ত্রীর কথা অনুযায়ী এমন জঘন্য কাজে লিপ্ত হয়। কারন, নিঃসন্তান বজলুর স্ত্রীর একটা সন্তানের প্রয়োজন ছিলো। যা এক ঢিলে দুই পাখি।
যশোরের শার্শার কাঠুরিয়া গ্রামের পটল ক্ষতের পাশ থেকে গতকাল এক নবজাতকের উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। অবশেষে নবজাতকের ঠাই হয় স্থানীয় এক কৃষকের ঘরে। নিখুঁত অভিনয় করতে গিয়ে ধরা খেল কৃষক। বেরিয়ে এলো হাড়ির খবর।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার কাঠুরিয়া গ্রামের পটল ক্ষেতের আইলের উপর থেকে বস্তাবন্দী অজ্ঞাত নবজাতক শিশুটি উদ্ধার করেন, একই গ্রামের বজলুর রহমান নামের এক কৃষক।

যে কৃষক উদ্ধারের নামে মিথ্যা অভিনয় করে যাচ্ছে, তারা আসলে এক পরিবারেরই! কিন্তু মিথ্যা অভিনয় করলো কেন? অজ্ঞাত নবজকের পরিচয় কি? এমন প্রশ্নের উত্তর খুজতে গিয়ে বের হল আসল রহস্য নবজাতক বাচ্চাটি আসলে তারই মেয়ে স্বামী পরিত্যক্ত নাজমা
বেগমের অসামাজিক কার্যকলাপের ফসল।

কৃষক বজলুর রহমানের ভাই ফজলুর রহমান বলেন, স্বামী পরিত্যক্তা কলেজ পড়ুয়া মেয়ের সদ্য প্রসব করা নবজাতকটি আসলে তাদের পরিবারেরই সদস্য! তিনি আরও বলেন, তার কোন সন্তান নেই যার কারণে ভাতিজার অবৈধ সন্তানকে নিজের কাছে রাখতেই এ অভিনয়।
জানা যায়, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার শ্রীরামকাটি কুলি গ্রামের সাকিল হোসেন বকুল নামে এক কুল ব্যবসায়ী ও নাজমা খাতুনের অবৈধ সম্পর্কের ফসল এই নবজাতক বাচ্চাটি। নবজাতক বাচ্চাটি যে নাজমা খাতুনের, এটা তার পরিবার অস্বীকার করলেও সাংবাদিকদের কাছে নাজমা খাতুন সত্যটি স্বীকার করেছে। সে তার বড় চাচা বজলুর রহমানের স্ত্রীর কথা অনুযায়ী এমন জঘন্য কাজে লিপ্ত হয়। কারন, নিঃসন্তান বজলুর স্ত্রীর একটা সন্তানের প্রয়োজন ছিলো। যা এক ঢিলে দুই পাখি।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com