এটিএম বুথে জাল নোট !

downloadমামুন-অর-রশিদ, বরিশাল : ব্যাংকের এটিএম বুথে জাল টাকার ছাড়াছড়ি। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। টাকা তোলার পর জাল টাকা দেখে অভিযোগ দিতে গিয়ে প্রমান করাও কষ্টকর যে এই টাকা বুথ থেকে তোলা। এই বিড়ম্বনা এড়াতে অনেক গ্রাহক আবার কার্ড থাকতেও চেক দিয়েই টাকা তুলছেন। হাফিজ খান নামে একজন গ্রাহক জানান, আমি এ টি এম বুথ থেকে টাকা তুলে দেখি একটি ৫শ টাকার জাল নোট। সেখানে কোন কর্তৃপক্ষ ছিলনা যে সাক্ষি রাখবো। এভাবে প্রতিনিয়ত অনেক গ্রাহকই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অথচ তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে সারা বিশ্ব যখন হাতের মুঠোয় তখন প্রযুক্তির সাথে তালমিলিয়েই অত্যাধুনিক হচ্ছে ব্যাংকিং সেবা। ই-ব্যাংকিং, আই-ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, এটিএম কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ভিসা কার্ড সহ আরো অনেক অত্যাধুনিক সেবা গ্রাহকদের হাতে ইতি মধ্যেই পৌঁছে গেছে। কিন্তু সেবা যেমন দ্রুত করা হচ্ছে তেমনি ভোগান্তিও যেন অত্যাধুনিক রুপেই গ্রাহকদের বিরক্ত করছে। কখনো কখনো টাকা উঠানোর জন্য গ্রাহক এটিএম কার্ড ইউজ করার পর টাকা দেয়া হয়েছে বলে রসিদ দেয়া হলেও টাকা বের হয় না। পরে ব্যালেন্স চেক করে দেখা যায় ব্যালেন্স থেকেও এন্ট্রিকৃত টাকা কর্তন করা হয়েছে। জরুরী প্রয়োজনীয় মুহুর্তে টাকা না পেয়ে গ্রাহকের ভোগান্তির আর শেষ থাকে না। বেশীরভাগ ব্যাংকের এটিএম বুথে নেটওয়ার্ক সমস্যা, টাকা না থাকা, টেকনিক্যাল সমস্যা সহ বিভিন্ন নতুন নতুন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন গ্রাহকরা। অনেক সময় লেনদেনের পরে আর কার্ড বের হয় না। সাথে সাথে ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে অভিযোগ দিলেও তাৎক্ষনিক কোন সমাধান পাওয়া যায়না। এখন প্রশ্ন হলো এটার নাম কি দ্রুতগামী সেবা ? নাকি সেবার নামে ভোগান্তি ? নগরীর বিভিন্ন অলি গলিতে এটিএম বুথ রয়েছে । কিন্তু এসব বুথে বেশীরভাগ সময়ই কোন না কোন সমস্যা লেগেই থাকে। বুথে টাকা না থাকা, নেটওয়ার্ক সমস্যা, ১শ টাকার নোট না থাকা সহ অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় গ্রাহকদের। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গ্রাহক সমস্যার দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে গ্রাহক ভোগান্তি লাঘবে সার্বক্ষনিক নজরদারী রাখার জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।

Facebook Comments