বটিয়াঘাটায় বিগত বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে আগাম তরমুজ চাষাবাদ শুরু

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটায় বিগত বছর গুলির তুলনায় বিভিন্ন জাতের তরমুজ চাষীরা এবার ৭ শত হেক্টর জমিতে আগাম চাষাবাদ শুরু করেছে। জলবায়ুগত পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় কৃৃৃৃষক-কৃষাণীরা বাম্পার ফলন ও লাভের আশায় পুরো উদ্যোমের সাথে আগাম চাষের দিকে ঝুকে পড়েছে । সরেজমিন ঘুরে কৃষকদের সাথে আলাপচারিতায় জানা গেছে, বিগত বছর এ উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নে ২ শত ৩০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষাবাদ করে। এবার এ উপজেলায় লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে ৭ শত হেক্টর জমিতে আগাম চাষাবাদ করছে। বিগত বছরে কৃষকেরা পূজি বিনিয়োগ করে সন্তোষ জনক মুনাফার মুখ দেখায় তাদের মধ্যে এক আলাদা উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে । উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়নে ৩ শত ৫০ হেক্টর, সুরখালী ইউনিয়নে ২ শত ৫০ হেক্টর , বটিয়াঘাটা, জলমা, আমিরপুর, বালিয়াডাঙ্গা, ভান্ডারকোট ইউনিয়নে ১ শত হেক্টর সহ মোট ৭ শত হেক্টর জমিতে তরমুজের এ চাষাবাদ কৃৃৃৃষক-কৃষাণীরা করছে। প্রতি হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করতে জমি চাষ, বীজ, রোপন, পানি সেচ, সার, কীটনাশক, আগাছা দমন, শ্রমিক ও পরিবহন সহ অন্যান খরচ অনুমান ২ লক্ষ টাকার মত । আর প্রতি হেক্টরে উৎপাদন সাধারনত ৪০ থেকে ৪৫ টনের মত। যার থেকে কৃষক ১০ লক্ষ থেকে ১২ লক্ষ টাকার কিছু কম কিছু বেশী । কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন বটিয়াঘাটার কৃষকরা সুইট ড্রাগন, ড্রাগন, পকিজা, দরবেশ, বাদশা, ওয়ার্ড, কুইস, ব্লাক মাষ্টার, বিগ ফ্যামিলি, জাম্বু জাগওয়া প্রভৃতি। একজন কৃষক বলেন, প্রত্যেক ইউনিয়নে সরকারি ভাবে নিযুক্ত উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে মাঠে তরমুজ খেতে যেয়ে চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে তাদের চাষাবাদে উৎসাহিত করেছেন।

Facebook Comments