পর্দার আড়াল থেকে জারা’স ফ্যাশানের গয়নাগাটি

ফেসবুকের টাইমলাইনে স্ক্রল করতে করতে হঠাত বোধহয় রুনুঝুনু একটা আওয়াজ পাওয়া গেল! বুটিক আর মেকআপ পেজের লাইভ দিয়ে যখন অনলাইন জগতটা সয়লাব, চোখদুটোকে তখনি আটকে দিতে পারে; রঙিন কুন্দন, চুড়ি, নেকলেস আর কানদুল গুছিয়ে রাখতে গিয়ে তোলা রুনুঝুনু আওয়াজটার রহস্য উদ্ঘাটন হয়ে গেলেও যেতে পারে।

আমিন, আপন, গীতাঞ্জলি আর ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের দাপুটে পদচারনায় জারা’স ফ্যাশান জোনের নামটা হয়তো একেবারেই নতুন লাগতে পারে, তবে একদমই রিজোনেবল প্রাইস আর কাস্টোমারের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক প্রোডাক্টটাই দিতে পারার কারনে অন্তত ৭০ হাজার ফলোয়ারের মনে জায়গা করে নিয়েছে অনলাইন এই জুয়েলারি শপটি।

এতোই যেখানে পরিচিত, সেখানে পেজ ঘুরে ঘেটেও কিন্তু কর্নধার জারাকে খুজে পাওয়া যায়নি। পাওয়া গেল জুয়েলারিগুলো নিয়ে লাইভে এসে প্রোমোট করা কয়েকজন ইনফ্লুয়েন্সরকে। মূলত পর্দার বিষয়ে যথেষ্ট রক্ষনশীল থাকার কারনেই জারা নিজেকে পর্দার আড়ালে রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। গ্রায়াজুয়েশন শেষ করার পর আশপাশের সবাইকেই কিছু না কিছু করতে দেখে জেদ চেপে গেল রেশমা আক্তার জারা’র মনে। তবে এতোদূর আসার পেছনে স্বামীর একান্ত সহযোগিতার বেপারটা মোটেই উপেক্ষা করা যাচ্ছে না।

জারা’স ফ্যাশানের ব্র্যান্ড প্রোমোটর মারিয়ার সাথে কথা বলে জানা যায়, কাস্টোমারের চাহিদা অক্ষুন্ন রাখতে ব্যক্তিগতভাবে জারা খুবই সচেতন একজন মানুষ। অনলাইনেই ব্যাপক পরিচিত পাওয়ায় প্রোডাক্ট কোয়ালিটি নিয়ে কোন কম্প্রাইমাইজেশনে না যাওয়া জারা’র আপাতত ফিজিক্যালি ব্র্যান্ডশপ দেয়ার কোন চিন্তা নেই।

 

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com