রিজনেবল প্রাইসে প্রিঅর্ডার নিয়ে সাদিয়ার শী-থিংস

ভার্সিটি থেকে কোন একটা বিষয়ের উপর গ্রাজুয়েশন, তারপর হয় মাস্টার্স, কিংবা চাকরির জন্য উঠে পড়ে লেগে যাওয়া। গৎবাঁধা এমন জীবন যাপনের সাথে আমরা সবাইই পরিচিত। রক্ষনশীল সমাজে চাকরি-বাকরি বাদ দিয়ে পুরোদস্তুর বিজনেস পারসন হয়ে উঠতে কিন্তু যথেষ্ট সাহস, আর সেই সাথে সঞ্চয়েরও প্রয়োজন আছে। খুব একটা সঞ্চয় না থাকলেও ভিন্ন ধারায় ব্যবসাকে সঞ্চালিত করে সাদিয়া জামানের মত সফল হওয়ার বেপারটা খুব কমই দেখা যায়।

মূলত কাস্টোমারদের কাছ থেকে প্রিঅর্ডার নিয়ে ইন্ডিয়া থেকে কিনে তারপর তা সেল করে থাকেন সাদিয়া তার পেজ শী থিংস এর মাধ্যমে। সেক্ষেত্রে অবশ্য ক্রেতাকে ফিফটি পারসেন্ট এডভান্স গুনতে হবে। প্রথমে নিজেই প্রোডাক্ট কিনে এনে তা সন্তোষজনক সেল না হবার কারনেই এমন ভিন্নধর্মী ভাবনা।

ভার্সিটিতে পড়াকালীন তৈরি হওয়া স্বপ্নের আশে পাশে কিন্তু অনেক বাধা-বিপত্তির আনাগোনা ছিল। বাবা-মায়ের গর্ব হবে এমন কিছু করার প্রত্যয়ে তাই বিবিএ-তে গ্রাজুয়েশনের পর চাকরির চাইতে ব্যবসা করাকেই বেছে নেন সাদিয়া। বাবা-মায়ের গর্ব হবে এমন কিছু করার প্রত্যয়ে তাই বিবিএ-তে গ্রাজুয়েশনের পর চাকরির চাইতে ব্যবসা করাকেই বেছে নেন সাদিয়া।

শুভাকাঙ্খীর উৎসাহ কিংবা নিন্দুকের কাছ থেকে প্রাপ্ত তিক্ত অভিজ্ঞতা, সব মিলিয়ে সাদিয়ার শী-থিংসের অনুসারী এখন ২৫ হাজারের উপরে। মেয়েদের প্রোডাক্ট নিয়েই কাজ করা সাদিয়ার সংগ্রহে শাড়ি, থ্রি-পিস, কুরতি, প্লাজো, লেহেঙ্গা, গাউন, হিজাব, জুয়েলারি, ব্যাগ, জুতা ছাড়াও আরও অনেক কালেকশন আছে। যা পেতে পারেন আপনি ১২ শ’ থেকে সাড়ে ৩ হাজারের মধ্যে। ১২ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রোডাক্ট ডেলিভারির পর বাকি ফিফটি পারসেন্ট ক্যাশ অন ডেলিভারি।

রিজনেবল প্রাইস আর সঠিক সময়ে ডেলিভারির নিশ্চয়তা দেয়া শী-থিংসকে আরো সামনের দিকে নিয়ে যেতে চান তিনি। মেয়েদের উপকারে আসে এমন সকল প্রোডাক্টই সাদিয়ার কালেকশনে রাখার ইচ্ছে আছে।

Facebook Comments