এনায়েতপুরের পাঁচিলে সড়কের দু’পাশে গাছের গুড়ি যাত্রীদের ভোগান্তি

খ. ম. একরামুল হক, সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার পাঁচিলে সড়কের দু’পাশে গাছের গুড়ি রাখায় যাত্রী ও পথচারীদের চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। এ কারনে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটলেও টনক নড়েনি সড়ক দখলকারী কাঠ ব্যবসায়ীদের। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।
জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলা সদরের সাথে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের রাস্তা পাঁচিল-এনায়েতপুর-সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক। অপর দিকে পাবনা ও শাহ্জাদপুর উপজেলার মানুষকে এনায়েতপুরে যাতায়াতে পাঁচিল সড়ক ব্যবহার করতে হয়। এজন্য পাঁচিল সড়কটি অধিক গুরুত্বপূর্ন। বিশেষ করে আর্ন্তজাতিক মানের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগীর যাতায়াতে এ সড়কটি দিন দিন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ ছাড়া ঠুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, কৈজুরি মাদরাসা, সৈয়দপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়সহ অন্তত ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করায় দিন দিন পাঁচিলের গুরুত্ব বেড়ে যাচ্ছে। তবে এক শ্রেনীর অসাধু কাঠ ব্যবসায়ীরা অপ্রশস্ত সড়কের দু’পাশে যত্রতত্র গাছের গুড়ি রাখায় যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচলে বিড়ম্বনায় পড়ে পথচারীদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এছাড়া কৈজুরী, সোনাতনী, গোপালপুর দক্ষিনাঞ্চলের বহু কাপড় ব্যাবসায়ীরা এসড়ক দিয়েই দেশের সর্ববৃহৎ এনায়েতপুর কাপড়ের হাটে বেচাকেনা করতে যায়। জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা মাসের পর মাস এভাবেই প্রতিনিয়ত গাছের খন্ড ফেলে রেখে “স”মিল পরিচালনা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানা গেছে। আর এলাকাবাসিকে কালো ধোয়া, বিকট শব্দ ও সড়কের যানজট নিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গাছের গুড়ি ‘স’মিলে নেয়া ও কাঠ ওঠা নামা করতে প্রচুর জায়গার প্রয়োজন হলেও নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় সড়ক দখল করেই ‘স’মিল মালিকেরা জনভোগান্তি সৃষ্টি করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য স্থানীয়দের যাতায়াতে চরম কষ্ট হচ্ছে।

Facebook Comments