মেসি-হ্যারি কেনের জমজমাট লড়াই রাতে

ক্রীড়া ডেস্ক : লিওনেল মেসি বনাম হ্যারি কেন। বিশ্ব ফুটবলের দুই গোলমেশিনের দ্বৈরথ দেখতে জাগছে ইংল্যান্ডের ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম। দেশ ও ক্লাব মিলিয়ে চলতি বছরে মেসি যখন ৩৭ গোল করেছেন, তখন হ্যারি কেনের চলতি বছরে ইংল্যান্ড ও টটেনহ্যামের হয়ে মোট গোল ২৯।

লা লিগায় সাত ম্যাচে সাত পয়েন্ট নষ্ট করলেও এই মুহূর্তে শীর্ষেই রয়েছে মেসির বার্সেলোনা। সেখানে সাত ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নষ্ট করে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ স্থানে হ্যারি কেনের টটেনহ্যাম হটস্পার।

কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গ্রুপ ‘বি’র প্রথম ম্যাচে বার্সেলোনা যখন মেসির হ্যাটট্রিকে চার গোল দিয়ে হারিয়েছে পিএসভি আইন্দহোভেনকে, তখন ইন্টার মিলানের কাছে ১-২ হেরে কিছুটা বেকায়দায় টটেনহ্যাম।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অ্যাওয়ে ম্যাচে গত ১,১১৩ দিনে কোনও গোল করেননি লুইস সুয়ারেস। ২০১৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রোমার বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অ্যাওয়ে ম্যাচে শেষ গোল করেছিলেন সুয়ারেস। ফলে ইংল্যান্ড থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ জিতে ফিরতে সেই মেসিই ভরসা বার্সেলোনা সমর্থকদের। কিন্তু মেসিকে যদি আটকে দেয় টটেনহ্যাম ডিফেন্ডাররা, তা হলে কিন্তু দুঃসময় আসতে পারে বার্সা ম্যানেজার ভালভার্দের কপালে।

মেসি নিজে কখনও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টটেনহ্যামের বিরুদ্ধে না খেললেও অতীতে এই দুই দল পরস্পরের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছে দু’বার। যার মধ্যে এক বার জিতেছে বার্সেলোনা। আর এক বার ড্র হয়েছে ম্যাচ।

ওয়েম্বলিতে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার খেলতে চলেছেন মেসি। এর আগে ২০১১ সালে এই স্টেডিয়ামে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে খেলেছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে গোল করেছিলেন তিনি। এ বারও সেই মেসিই ভরসা ভালভার্দের। সঙ্গে বার্সেলোনা ম্যানেজারের চিন্তা দীর্ঘ সময় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অ্যাওয়ে ম্যাচে সুয়ারেসের গোল না পাওয়ার ব্যাপারে।

তবে গত পাচ বছরে চার বার রিয়াল মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় মন থেকে মুছতে পারেননি মেসি। টটেনহ্যামের বিরুদ্ধে নামার আগে তাই সতীর্থদের তিনি বলেছেন, ‘গত মৌসুমে লা লিগা জিতলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কিন্তু ছিটকে গিয়েছিল। এ বার যেন সেই আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে না হয় মৌসুম শেষে। সেটা মাথায় রেখেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সব ম্যাচ খেলতে হবে আমাদের।’

এ বার গোল করে তাই বার্সাকে জেতাতে চান লুইস সুয়ারেস। লন্ডনে নামার আগেই তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলে দিয়েছেন, ‘লিয়ো বিশ্বের সেরা ফুটবলার। কিন্তু তার মানে এই নয় যে লিয়োর উপর প্রত্যাশ্যার চাপ ক্রমে বাড়াতেই হবে। এ বার আমাদেরও দেখাতে হবে লিয়ো ছাড়াও আমরা জিততে পারি।’