গাবতলীর মাঝবাড়ী সরকারী প্রাঃ বিদ্যালয়ে পাঠদান ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার নশিপুর ইউনিয়নের ৭৮নং মাঝবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষান মান উন্নয়ন ও ভাল ফলাফলের জন্য পুরুষ শিক্ষক চেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন করেছেন ঐ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক।
জানা যায়, মাঝবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি অতিপুরানো ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ছাড়া প্রাক’সহ ৪জন সহকারী শিক্ষিকা রয়েছে। উক্ত শিক্ষিকাগণ তাঁদের ইচ্ছামত সময়ে স্কুলে আসা য়াওয়া করছে। এমনকি বিদ্যালয়ে এসে অফিস ও শ্রেনী কক্ষে তাঁরা শুধু মোবাইল ফোনে আলাপ ও গল্প-সল্প করিয়া ব্যস্ত সময় কাঁটায়। শিক্ষিকাগণ বিদ্যালয়ে পাঠদান না করে ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে মাথার চুল বিলি ও আচঁড়িয়া নেয়। এছাড়াও তাঁরা কমলমতি শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে খাবার থালা-বাটি পরিস্কার করে নেয়। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশুনা বাদ দিয়ে মাঠের মধ্যে হৈ-চৈ করতে থাকে।এতে করে পড়াশুনার পরিবেশ বিঘিœত হচ্ছে। ফলে স্কুলের সমাপনি পরিক্ষার ফলাফল অত্যান্ত দুঃখ জনক ও খারাব হচ্ছে বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়। এমনকি এসব বিষয়ে ম্যানের্জিং কমিটি কোন পরামর্শ দিলে তাঁরা উল্টো ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের কে বলে ‘তাঁরা কমিটির চাকুরী করে না’ তাঁরা সরকারী চাকুরী করেন। ফলে নিরুপায় হয়ে ঐ বিদ্যালয়ের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও প্রধান শিক্ষক নজমল হক স্বাক্ষরিত আবেদনে ঐ বিদ্যালয় থেকে ২জন শিক্ষিকা কে অন্যত্র বদলী করে ৫০% সহকারী শিক্ষক (পুরুষ) মোতাবেক ২জন পুরুষ শিক্ষক চেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবরে একটি আবেদন করা হয়েছে। এবিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ জানান, এ বিষয়ে একটি আবেদন করেছি তবে আজও তাঁর কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি। গাবতলী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মোঃ সাজ্জাদ জাহীদ জানান, এ বিষয়ে একটি আবেদন পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments