৬ মাস পর ভাসানচরের পথে আরো ৩৮৪ রোহিঙ্গা

নিউজ ডেস্ক : কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ভাসানচরের উদ্দেশ্যে সপ্তম দফায় প্রথম পর্যায়ে ৩৮৪ জন রোহিঙ্গা নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ভাসানচরের পথে নৌবাহিনীর একটি জাহাজ।
বুধবার কক্সবাজার থেকে তাদেরকে চট্টগ্রামের বিএফ শাহীন কলেজের ট্রানজিট ক্যাম্পে নেয়া হয়। সেখান থেকে নৌবাহিনীর জাহাজে করে রোহিঙ্গাদের পৌঁছে দেয়া হবে ভাসানচরে। এ দফায় স্বেচ্ছায় যেতে আগ্রহী এমন দেড় হাজার রোহিঙ্গাকে তালিকা অনুযায়ী পাঠানো হচ্ছে ভাসানচরে।
গত এপ্রিলে বৈরি আবহাওয়ার কারণে যাত্রা স্থগিত করার পর ইউএনএইচসিআর ও সরকারের মাঝে ভাসানচরে শরণার্থী ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) হওয়ার পর ২৪ নভেম্বর প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা যাত্রা শুরু হয়েছে।

২০২০ সালের ৪ ডিসেম্বর ভাসানচরে যেতে আগ্রহী রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ পর্যন্ত ৬ দফায় ১৮ হাজার একশ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও নিপীড়নের মুখে দেশটি থেকে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। আগের ও তখনকার মিলিয়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারে বসবাস করছে। ওই বছরের নভেম্বরে কক্সবাজার থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে একটি প্রকল্প নেয় সরকার। আশ্রয়ণ-৩ নামে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে।

For all latest news; follow EkusherAlo24's Google News Channel

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে তিন হাজার ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই চরে এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ভাসানচরের পুরো আবাসন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

ঘর তৈরির পর গত ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত কয়েক দফায় স্বেচ্ছাগামী প্রায় ১৯ হাজার রোহিঙ্গা সেখানে পৌঁছলে তাদেরকে দালানের একেকটি ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়া হয়।