ম্যানচেস্টার হামলার দায় স্বীকার আইএসের

Slide
Watch all sports live streaming

Click to watch any of those channels

যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে একটি ইনডোর স্টেডিয়ামে মার্কিন পপ তারকা অ্যারিয়ানা গ্রান্ডের কনসার্টে বিস্ফোরণে শিশুসহ অন্তত ২২ জনকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট(আইএস)। খবর ডেইলি মেইলের।

স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে ম্যানচেস্টারের অ্যারেনায় কনসার্ট শেষে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ২২ জন নিহত এবং ৫৯ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার টেলিগ্রামে আইএস এই হামলার দায় স্বীকার।

টেলিগ্রামে বলা হয়, ম্যানচেস্টার অ্যারেনায় ‘ক্রুসেডারদের এক জমায়েতে’ একটি বিস্ফোরক পুঁতে রেখেছিলেন আইএস এর কথিত ‘খিলাফতের একজন সৈনিক’।

গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ এর আগে বলেছিল, অ্যারেনায় হামলাকারী ছিলেন একজন। তিনি একটি ইম্প্রোভাইজ এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বহন করছিলেন এবং বিস্ফোরণে তিনি নিজেও নিহত হন।

ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ ইনডোর স্টেডিয়াম ম্যানচেস্টার অ্যারেনা কনসার্ট ভেন্যু হিসেবেও জনপ্রিয়। একসঙ্গে প্রায় ২১ হাজার দর্শকের বসার ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে।

For all latest news; follow EkusherAlo24's Google News Channel

স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে কনসার্ট শেষ হওয়ার পরপরই ওই বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন অন্তত ৫৯ জন। হতাহতদের মধ্যে অনেকেই শিশু ও কিশোর বয়সী। যুক্তরাষ্ট্রের ২৩ বছর বয়সী পপ তারকা অ্যারিয়ানা গ্রান্ডের গান শুনতে এসেছিলেন তারা। তবে হামলায় অ্যারিয়ানার কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পরে টুইটারে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২৩ বছর বয়সী এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ডেইলি মেইল জানায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে সাউথ ম্যানচেস্টারের উপশহর চরলটোন এলাকার মরিসনস সুপারমার্কেটের বাইরে থেকে ঐ তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলার তদন্ত ‘জটিল ও বিস্তৃত’। তারা হামলাকারীর পরিচয় গোপন না করতে ব্রিটিশ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

হামলাকারী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ন্যাশনাল কাউন্টার টেরোরিজম পুলিশিং নেটওয়ার্ক, গোয়েন্দা বাহিনীর সঙ্গে ব্রিটিশ পুলিশ একযোগে কাজ করছে।

গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ প্রধান ইয়ান হপকিন্স এই ঘটনাকে ‘সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা’ বলে অ্যাখ্যায়িত করেছেন।

ঠিক দুই মাস আগে গত ২২ মার্চ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের কাছে এক জঙ্গি হামলায় পুলিশসহ পাঁচজন নিহত হন, আহত হন অন্তত ৪০ জন। আইএস এর পক্ষ থেকে সেই হামলারও দায় স্বীকার করা হয়েছিল।