মিশিগানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন

মিশিগানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগানের বার্ষিক বনভোজন হয়েছে। রোববার (৩১ জুলাই) মিশিগানের ওয়ারেন সিটির হলমিছ পার্কে জাঁকজমকপূর্ণ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কর্মসূচি। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে বার্ষিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বনভোজন উপ-কমিটির আহ্বায়ক আমিনুর রশিদ চৌধুরী কাপ্তান। তার সঙ্গে ছিলেন কমিটির সদস্য সচিব প্রস্যন্ন চন্দ ও শাহ খালিশ মিনার। তারপরেই শুরু হয় দিনের অন্যান্য কার্যক্রম।

আয়োজনের মধ্যে ছিল খেলাধুলা, নাচ, গান ও র‌্যাফেল ড্র। একদিকে চলছিল শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা, অন্যদিকে প্রিয় সহকর্মী ও বন্ধু-বান্ধবীদের আড্ডা-গান-গল্প। অনেকেই ফেলে আসা দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করছিলেন। ভোজনপর্ব শেষে শুরু হয় আলোচনা সভা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ মইন দিপু। পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান। বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা সাবেক কর্নেল এসএম হাসান ইকবাল, বোর্ড অব এডুকেশনের এটলার্জ মেম্বার অলিউর রহমান, মিল্টন বড়ুয়া, রিয়েলেটর ইকবাল আহমেদ, সাবেক সহকারী অধ্যাপক আমিনুল হক, সংগঠনের সহ-সভাপতি কাজী এবাদুল ইসলাম।

এছাড়া জাবেদ চৌধুরী, জয়ন্ত দেব অনুপ, আতিকুর রহমান ভূইয়া, রফিকুল ইসলাম, মোতাব্বির শাহীন, কামরুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আপ্তাব, সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন রানা, সাবেক ব্যাংকার সালাউদ্দিন মুরাদ বক্তব্য দেন।

আয়োজন সম্পর্কে জানতে চাইলে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের এই সংগঠনটি প্রতি বছরই আমাদের নিজেদের মধ্যে বন্ধন সুদৃঢ় করতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বিগত দিনেও দেশের বিভিন্ন দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় আমাদের সংগঠনের মাধ্যমে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছি।

তিনি বলেন, আমরা এখন চেষ্টা করে যাচ্ছি এখানে বসবাসরত সন্তানদের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে যোগদানের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে। আমাদের সংগঠনে আইটি প্রশিক্ষক থাকায় চেষ্টা করছি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার।

আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান পরিবেশন করেন সবিতা তারাত, আমজাদ হোসেন ও মোহাম্মদ হোসেন। সবশেষ র‌্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বাৎসরিক মিলনমেলা।