জাতীয় জাদুঘরের জন্মদিন আজ

জাতীয় জাদুঘরের জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ৯৫তম জন্মদিন।এই জাদুঘরটির যাত্রা শুরু ১৯১৩ সালের ৭ আগস্ট। অবশ্য তখন এর নাম ছিল ‘ঢাকা জাদুঘর’। আর সর্বসাধারণের জন্য জাদুঘরটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল পরের বছর অর্থাৎ ১৯১৪ সালের ২৫ আগস্ট । ১৯১৩ সালের ২০ মার্চ ঢাকা জাদুঘরের উদ্বোধন করেন বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড কারমাইকেল । তৎকালীন সচিবালয়ের (বর্তমান ঢাকা মেডিক্যাল) একটি কক্ষে হয় এই উদ্বোধন অনুষ্ঠান। ঢাকা জাদুঘরের প্রথম অস্থায়ী কিউরেটর বা তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন এন গুপ্ত। প্রথম কিউরেটর নলিনীকান্ত ভট্টশালী। তথ্য উইকিপিডিয়ার। বর্তমানে শাহবাগ এলাকায় জাতীয় জাদুঘরের যে অত্যাধুনিক ভবন, তার উদ্বোধন হয় ১৯৮৩ সালের ১৭ নভেম্বর। আট একর জমির ওপর নির্মিত চারতলা ভবনটির তিনটি তলা জুড়ে রয়েছে ৪৬টি গ্যালারি। গ্যালারিতে সব মিলিয়ে রয়েছে প্রায় ৮৩ হাজারের বেশি নিদর্শন। কেবল বাংলাদেশেই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এটি সর্ববৃহৎ জাদুঘর। জাতীয় জাদুঘরের অত্যাধুনিক এই স্থাপনার নকশা করেছেন দেশের প্রখ্যাত স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।জাদুঘরের প্রথম তলাটি শুরু হয়েছে বাংলাদেশের মানচিত্র দিয়ে। এই তলাতে রয়েছে বাংলাদেশের গাছপালা, প্রাণী, সুন্দরবন, উপজাতিদের জীবনধারা, খনিজ শিলা, ভাস্কর্য, মুদ্রা এবং প্রাচীন যুগের নানাবিধ ভাস্কর্য।
দ্বিতীয় তলায় রয়েছে বাংলাদেশের সভ্যতা ও ইতিহাসের ক্রমবিবর্তন। বিভিন্ন সময়ের অস্ত্র, বাদ্যযন্ত্র, চীনামাটির হস্তশিল্প, কুটিরশিল্প, পাণ্ডুলিপি, সমকালীন শিল্পকলা এবং বাংলাদেশের নানাবিধ ঐতিহ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে এই তলা।তৃতীয় তলায় রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যক্তির প্রতিকৃতি, চিত্রকর্ম ও বিশ্বসভ্যতার নানা নিদর্শন।জাতীয় জাদুঘরের রয়েছে আনুমানিক ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার বইসংবলিত নিজস্ব গ্রন্থাগার। রয়েছে জাদুঘর মিলনায়তন, যা বিভিন্ন কর্মশালা, সেমিনার বা সভার কাজে ব্যবহার করা হয়। এজন্য জাদুঘরে প্রতিদিন কোন না কোন অনুষ্ঠান থাকেই। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে, যেমন—পয়লা বৈশাখ, ১৬ ডিসেম্বর, ২৬ মার্চ, ২১ ফেব্রুয়ারি এসব দিনে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে শিশু ও শিক্ষার্থীদের জন্য ।

Sawda Islam

Sawda Islam Sub-editor at Ekusheralo24 since 2013 My job is to check and correct articles in this online news portal before they are published. I work closely with the chief editor to maintain our high standards of factual accuracy, good grammar, clarity and consistent house style.