জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার শুরুতেই যুক্তফ্রন্টের ‘হোঁচট’

জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার শুরুতেই যুক্তফ্রন্টের ‘হোঁচট’

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজনৈতিক জোট যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার একজোট হয়ে কর্মসূচি ঘোষণার শুরতেই ‘হোঁচট’ খাওয়ার অবস্থা হয়েছে। এই রাজনৈতিক জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ফলে কর্মসূচি ঘোষণার শুরুতেই হোঁচট খেল জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া।

শনিবার বিকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে তাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার কথা ছিল। তবে সেখানে অনুষ্ঠান করার অনুমতি মেলেনি তাদের।

এরই মধ্যে খবর আসে এই ঐক্য প্রক্রিয়ার অন্যতম উদ্যোক্তা যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী প্রেসক্লাবে আসার পথে মগবাজারে অসুস্থ হয়ে পড়ে বাসায় ফিরে গেছেন।

এক পর্যায়ে বিকাল পৌনে চারটার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আসেন ঐক্যপ্রক্রিয়ার নেতা জাসদের আসম রব ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। পরে তাতে যোগ দেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

সংবাদ সম্মেলন করার আগে মান্না সাংবাদিকদের বলেন, ‘বি চৌধুরীর বাসায় লোক পাঠানো হয়েছে। তার ইসিজি করা হচ্ছে। ব্লাড প্রেসার খুবই লো। কথা বলতে পারছেন না। তাই আসতে পারেননি।’

গণফোরাম ও যুক্তফ্রন্টের নেতারা এই জানান, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শনিবার বিকালে শহীদ মিনারে কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন তারা। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে সেখানে অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

এ জন্য জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজেদের জোটবদ্ধ হয়ে পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনার কথা ঘোষণা দেওয়া হবে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ‘যুক্তফ্রন্ট’ও ‘জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া’র যাত্রা শুরু হয়। গত ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর একাধিক বৈঠক করে যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্যের নেতারা নিজেদের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বা জাতির কাছে অঙ্গীকার করার বিষয়গুলো নির্ধারণ করেন।

এর মধ্যে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করে শক্তিশালী করা, নির্বাচনের আগে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সারাদেশে সেনা সদস্য মোতায়েন, কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে আটকদের মুক্তি ও তাদের নামে মামলা প্রত্যাহারসহ রাজনৈতিক মামলায় আটকদের মুক্তি দেওয়ার দাবি রয়েছে।