গারো তরুণী ধর্ষণ: আদালত থেকে পালানো রুবেল রিমান্ডে

গারো তরুণী ধর্ষণ: আদালত থেকে পালানো রুবেল রিমান্ডে

আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর গ্রেপ্তার গারো তরুণী ধর্ষণ মামলার আসামি মো. রুবেল হোসেনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে ঢাকা সিএমএম আদালত।

১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট সাদবির ইয়াছির আহসান চৌধুরী এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই বিএম মামুন আসামিকে আদালতে হাজির করে এই রিমান্ড আবেদন করেন।

এর আগে গত ১১ নভেম্বর রাতে বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকা থেকে র‌্যাব-১ এ আসামিকে আটক করে। গত ১৩ নভেম্বর তাকে আদালতে হাজির করার পর তিনি দোষ স্বীকার করতে রাজি হওয়ায় সিএমএম আদালতের আট তলার ২১ নম্বর আদালত কক্ষের ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির ইয়াছির আহসান চৌধুরীর খাসকামরায় তাকে নেয়া হয়। সেখান থেকে কৌশলে তিনি পালিয়ে যান। এরপর মঙ্গলবার রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।

ধর্ষণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও প্রতারণাসহ কমপক্ষে ২০টি অভিযোগ রয়েছে বাড্ডার ‘ত্রাস’ বলে পরিচিত পালিয়ে যাওয়া রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে।

সর্বশেষ গত ২৫ অক্টোবর রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় এক গারো তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ওই তারুণী ঢাকার একটি বিউটি পার্লারে কাজ করতেন। গত ২৫ নভেম্বর বিকালে তিনি উত্তর বাড্ডা হাসান উদ্দিন সড়কের ৩ নম্বর লেনের মিশ্রীটোলায় হাজী রুহুল আমীনের মেসের ভাড়াটিয়া তার হবু স্বামীর সাথে দেখা করতে আসেন। ওই সময় মেসের বাসিন্দা সালাউদ্দিন (সালু) মোবাইল ফোনে কল করে তার পূর্ব পরিচিত ‘সন্ত্রাসী’ আল আমিন, রনি, সুমন ও নাজমুলসহ স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেলকে মেসে ডেকে আনেন। তারা ভিকটিমের হবু স্বামীর কাছ থেকে মেসে মহিলা আনার অজুহাতে ফাঁদে ফেলে ১৭ হাজার টাকা ও তার ব্যবহৃত স্মার্ট ফোনটি (হুওয়াই) নিয়ে নেয়। পরে রুবেল ও তার সহযোগী সালাউদ্দিন (সালু) মিলে ওই গারো তরুণীকে প্রাণের ভয় দেখিয়ে হাজী মোশারফ মিয়ার পরিত্যক্ত বাসার একটি রুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে বলা হয়।