কিলিয়ান এমবাপের ভবিষ্যৎ কী ?

Slide
Watch all sports live streaming

Click to watch any of those channels

কিলিয়ান এমবাপের ভবিষ্যৎ কী, কোথায়? এটা যেন ফ্রান্সে প্রতিদিনকার আলোচনার বিষয়ই বনে গেছে। এই শোনা যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদে প্রায় যোগ দিয়েই দিয়েছেন তিনি, এরপরই আবার শোনা যাচ্ছে রিয়ালকে না বলে তিনি থাকছেন পিএসজিতেই। তবে শেষ গুঞ্জনটা যদি শেষমেশ সত্যিই হয়, তাহলে আজীবন কপাল চাপড়াতে হবে এমবাপেকে, এমনটাই মনে হচ্ছে ফরাসি কিংবদন্তি জঁ পিয়েরে পপাঁর।

পিএসজি এমবাপেকে দলে রেখে দিতে প্রাণপণ চেষ্টা করেই চলেছে। তবে রিয়াল মাদ্রিদ তাকে দলে পেতে ভালোভাবেই চেষ্টা করছে। এ প্রক্রিয়াটা অবশ্য আজকে শুরু হয়নি। গেল গ্রীষ্মকালীন দলবদলে কমপক্ষে দুবার ১৬০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থের প্রস্তাব রিয়াল দিয়েছিল পিএসজিকে। তবে এমন বিশাল অঙ্কের ট্রান্সফার ফি’র প্রস্তাবেও মন গলেনি পিএসজির। প্রত্যাখ্যান করেছে দু’বারই।

সেই এমবাপেকে এবার দলবদল মৌসুমে ফ্রিতেই পেয়ে যাবে রিয়াল মাদ্রিদ। আসছে মাসেই যে পিএসজির সঙ্গে চুক্তি শেষ এমবাপের! সেই ফরাসি তারকাকে দলে টানতে রিয়াল প্রস্তাব দিয়েছে বিশাল নিবন্ধন বোনাস, ইমেজ রাইটসের সিংহভাগ আর মোটা অঙ্কের বেতন দিয়ে।

তবে পিএসজির প্রস্তাবের তুলনায় সেসব নস্যি। মার্কা জানাচ্ছে, রিয়াল যে নিবন্ধন বোনাস দেবে ১২০৫ কোটি টাকা, সে নিবন্ধন বোনাস পিএসজি এমবাপেকে দিতে চায় প্রায় ১৬৬ কোটি টাকা। ইমেজ রাইটসের পুরোটা দিতে রাজি পিএসজি, সঙ্গে বেতনও প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা, যার ফলে এমবাপে বনে যাবেন ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা খেলোয়াড়ও।

For all latest news; follow EkusherAlo24's Google News Channel

এখানেই শেষ নয়, পিএসজি আরও সব প্রস্তাব দিয়েছে এমবাপের টেবিলে। পিএসজিতে যদি থেকে যাওয়ার চিন্তাই করেন, তাহলে সেখানে খেলোয়াড় হলেও অনেকটা ক্রীড়া পরিচালকের মতোই সুবিধা পাবেন তিনি। ইউরোপীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে, পিএসজিতে প্রতি সপ্তাহে ৯.৩ কোটি টাকা তো পাবেনই, সেখানকার ক্রীড়া প্রকল্পে যে কোনো পরিবর্তন, যেমন কোচ বা খেলোয়াড় বদলানো, এমন সুযোগও থাকবে তার কাছে।

তবে এমন সব প্রস্তাব পায়ে ঠেলে এমবাপের রিয়ালেই যাওয়া উচিত। মনে করছেন ফ্রান্সের সাবেক এই ফুটবলার। ১৯৯১ সালের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী আরও জানালেন, রিয়ালে না গেলে আজীবন কপাল চাপড়াতে হবে এমবাপেকে।

সম্প্রতি ইউরোস্পোর্তে এক আলোচনায় তিনি বলেন, ‘একজন খেলোয়াড় যদি স্বপ্ন দেখে, তাহলে সেটা তার পূরণ করতে হয়। যদি তার স্বপ্ন থাকে রিয়াল মাদ্রিদে যাওয়া, তাহলে সেখানে তার যেতেই হবে। সেটা যদি সে না করে, তাহলে তার বাকি জীবনের পুরোটা জুড়ে কেবল আফসোসই করতে হবে তাকে।’

পপাঁ শুধু অনুষ্ঠানেই এই কথা বলে ক্ষান্ত হননি। শেষ এক সপ্তাহে তার দেখা হয়েছিল এমবাপের বাবার সঙ্গেও। সেখানেও তিনি বলেছেন একই কথা। তবে পপাঁর এই কথা মেনে এমবাপে শেষমেশ রিয়াল মাদ্রিদেই যান, নাকি পিএসজিতে থেকে ‘আজীবন আফসোসের দুয়ার’ খুলে দেবেন, সে খবর জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু দিন।