এবার দলের চাহিদা মিটিয়ে ব্যাটিং করবেন আশরাফুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক : অনেক আশা ছিল মনে। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পর গতবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে পাঁচটি সেঞ্চুরি করেছিলেন। পেয়েছিলেন বিপিএলে দলও। কিন্তু বিপিএলে চিটাগং ভাইকিংস মোহাম্মদ আশরাফুলকে সুযোগ দেয় মাত্র তিনটি ম্যাচে। সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় আবারও জাতীয় দলে কড়া নাড়ার স্বপ্নটাও ভেঙে যায়।

আশরাফুলের মনে সেই হতাশাটা রয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘বিপিএলটা যদি সুযোগ পেতাম তাহলে ভালো খেলার সম্ভাবনা থাকত। যেহেতু ঢাকা লিগটা গত বছর ভালো খেলেছিলাম। দল ফল পায়নি, কিন্তু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ভালো হয়েছিল। সেটাই এবার করতে চাইব। শুরু থেকে ভালো করতে চাইব।’

এবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলবেন আশরাফুল খেলবেন ঐতিহ্যবাহী দল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে। ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে প্রিমিয়ার লিগের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। ৮ মার্চ থেকে শুরু মূল লিগ। সেজন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন বাংলাদেশ দলের হয়ে এক সময়ের মাঠ কাঁপানো তারকা।

আগেরবার ছিলেন কলাবাগান ক্রীড়া চক্রে। পাঁচটি সেঞ্চুরি করলেও তার মধ্যে চারটিই ছিল ধীরগতির। তার দল রেলিগেশনে পড়ে যায়। স্বভাবতই আশরাফুলের উপরও একটা দায় এসে পড়ে। ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে হন সমালোচিত।

যদিও গতবার তিনি স্বার্থপরের মতো খেলেছেন, এমনটা মানতে নারাজ আশরাফুল। তার দাবি, পরিস্থিতির চাহিদা মেটাতেই অনেক ম্যাচে ধীর ব্যাটিং করতে হয়েছে, ‘এটা আসলে আমি মনে করি না (মন্থর ব্যাটিং)। যদি ম্যাচের পরিস্থিতি দেখেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী শুরুতে হয়তো কয়েকটা ম্যাচে (মন্থর হয়েছে)। তবে যেগুলো আমি সেঞ্চুরি করেছিলাম, সেগুলো পরিস্থিতি অনুযায়ী ঠিকই ছিল। কারণ মোহামেডানের সাথে আমি ১২৭ করেছিলাম ১২৩ বলে। যখন উইকেট হাতে থাকবে রান বেশি হবে, তখন এক ধরনের খেলা, আবার উইকেট পড়ে গেলে আরেক ধরণের খেলা হবে।’

তবে গতবার যা-ই হয়েছে। এবার দলের চাহিদা মেটানোর দিকেই মনোযোগ থাকবে আশরাফুলের। জানালেন, প্রয়োজনে স্ট্রাইক রেট বাড়ানোর চেষ্টা করবেন, ‘গত বছর ৭৪ স্ট্রাইক রেট ছিল, এবার চেষ্টা থাকবে (বাড়ানোর)। তবে এটাও ঠিক গত বছর থেকে আমি এখন অনেক ফিট। সবকিছু থেকে অনেক উন্নতি হয়েছে। গত বছর এতটা ফিট ছিলাম না। লক্ষ্য তো থাকবেই স্ট্রাইক রেটটা যেন ভালো হয়। দলের পারফরম্যান্সে যাতে প্রভাব রাখতে পারি ওইভাবে চেষ্টা করব।’