এক ছিনতাইকারী নিয়ে দুই থানা পুলিশের হাতাহাতি-ধাক্কাধাক্কি!

এক ছিনতাইকারীকে নিয়ে রাজশাহীতে দুই থানা পুলিশের মধ্যে উত্তেজনার পর ধাক্কাধাক্কি এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জেলার পুঠিয়া এবং মহানগরের বেলপুকুর থানা পুলিশের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। তবে সংশ্লিষ্ট দুই থানার ওসি বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ১০টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর ইউনিয়নের বাশপুকুর এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। দুই মোটরসাইকেলে চার ছিনতাইকারী দুর্গাপুরের ফয়সাল নামে এক ব্যবসায়ীর ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে।

আরো পড়ুন: শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে তাদের পাশে ছিলাম : ছাত্রলীগ সভাপতি

এ সময় মোটরসাইকেলসহ এক ছিনতাইকারীকে ধরে গণপিটুনি দেয় স্থানীয়রা। এছাড়া মোটরসাইকেলটি পুড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা।

আটক ছিনতাইকারীর নাম মহিদুল ইসলাম (২৭)। তার বাড়ি চারঘাট উপজেলার বাগুরিয়া এলাকায়।

পুঠিয়া এবং বেলপুকুর থানার সীমান্তে এ ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে দুই থানার পুলিশ উপস্থিত হয়। এর মধ্যে এসআই বজলুর রহমানের নেতৃত্বে পুঠিয়া থানা পুলিশ এবং এসআই রউফ ও সেলিম রেজার নেতৃত্বে বেলপুকুর থানার পুলিশ সেখানে যায়।

উভয় থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে জনরোষ থেকে ছিনতাইকারী মহিদুলকে উদ্ধার করে।

পরে মহিদুলকে কোন থানায় নেয়া হবে, এ নিয়ে বেলপুকুর থানার এসআই রউফের সঙ্গে পুঠিয়ার এসআই বজলুর কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

খবর পয়ে পুঠিয়া থানার ওসি সাকিল উদ্দিন আহমেদ এবং বেলপুকুর থানার ওসি গোলাম মোস্তফাসহ উভয় থানার পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়।

এরপর সেখানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বেলপুকুর পুলিশ ছিনতাইকারী মহিদুলকে নিয়ে যায়। তাকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে বেলপুকুর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা পুলিশের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির কথা অস্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থল কোন থানার মধ্যে এ নিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে সামান্য কথাকাটাকাটি হয়েছে। পরে তারা গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। এছাড়া সেখানে আর কিছুই ঘটেনি।

একই ধরনের মন্তব্য করেছেন পুঠিয়া থানার ওসি সাকিল উদ্দিন আহমেদ।