আজকের তরুণরা ইতিহাসের শক্তিশালী প্রজন্ম : ড. ইউনূস

আজকের তরুণরা ইতিহাসের শক্তিশালী প্রজন্ম : ড. ইউনূস

4.yunusআন্তর্জাতিকডেস্ক: ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র দূরীকরণে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের কাজ করা উচিৎ। প্রযুক্তিগত জ্ঞানের কারণে এ তরুণ সমপ্রদায়কে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রজন্ম বলে মন্তব্য করেন নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ সসার সিটি’র স্যান্ডটোন কনভেনশান সেন্টারে বিশ্বের ৮ হাজার তরুণের বৃহত্তম সম্মেলন ‘ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড সামিট ২০১৩’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ড. ইউনূস বলেন, যখন ২০০০ সালে কফি আন্নান ও জাতিসংঘ সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য ঘোষণা করে, তখন মানুষ হেসে বলেছিলো- এরা পাগল। তারা বিশ্বাস করেনি দারিদ্রতা হ্রাস করা যায়। এমনকি বাংলাদেশ ঘোষণা করেছিল- আমরা এ লক্ষ্য অর্জন করেছি, তখনো তারা বিশ্বাস করতে পারেনি।
এ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আন্নান এবং গায়ক ও দারিদ্র দূরীকরণ কর্মী স্যার বব গেল্ডফ।
এছাড়া বর্ণবাদবিরোধী ক্যাম্পেইনার আহমেদ খাত্রাদা, স্যার রিচার্ড ব্যান্সন, জার্মান টেনিস জনপ্রিয় খেলোয়ার বরিস বেকার আবং অন্যান্য খ্যাতিমান ব্যাক্তিবর্গও সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন।
শিক্ষা,  তরুণদের বেকারত্ব ও বৈশ্বিক ব্যবসার ভূমিকার মতো বিষয়গুলো নিয়ে ‘ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড সামিট ২০১৩’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২-৫ অক্টোবর এ সম্মেলন চলবে। সম্মেলনে বিশ্বের ১৯০টি দেশ তরুণ প্রতিনিধি উপস্থিত রয়েছেন। বাংলাদেশ থেকেও দশ সদস্যের একটি তরুণ প্রতিনিধিদল এতে অংশ নেন।
সম্মেলনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড জোন্স ও কেট রবার্টসন সম্মেলনের প্রতিনিধিদের পতাকাবাহী অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড’র কাউন্সিলরদের প্রতীকী হিসেবে তাদের দেশের পতাকা উপহার দেন।
এ প্রথমবারের মত ‘ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড সামিট’ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগের সম্মেলনগুলো হয়েছিলো লন্ডন, জুরিখ ও পিটসবার্গে। ২০১৪’র ‘ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড সামিট’র জন্য ডাবলিনকে আয়োজক শহর হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়।