২৫ নবনির্বাচিত পৌর মেয়র কোটিপতি

আশিক মাহমুদ : নবনির্বাচিত পৌরসভা মেয়রদের মধ্যে ২৫ জন কোটিপতি বলে জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়নে ‘পৌরসভা নির্বাচন: কেমন মেয়র পেলাম’শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এক গবেষণা তুলে ধরে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নবনির্বাচিত ২৩৩ জন মেয়রের মধ্যে ২৫ জন (১০.৭২%) কোটিপতি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ১৮১ জনের মধ্যে কোটিপতি ১৯ জন (১০.৪৯%); বিএনপির ২৪ জনের মধ্যে ৪ জন (১৬.৬%) এবং স্বতন্ত্র ২৭ জনের মধ্যে ২ জন (৭.৪%) কোটিপতি।

এছাড়া মোট ২৩৩জন মেয়রের মধ্যে ৫ লাখ টাকার নিচে সম্পদ রয়েছে ৮৭(৩৭.৩%) জন মেয়রের। এর আওয়ামী লীগের ১৮১ জনের মধ্যে ৬৪ জন (৩৬.১৬%), বিএনপির ২৪ জনের মধ্যে ১১ জন (৪৭.৮৩%) এবং স্বতন্ত্র ২৭ জনের মধ্যে ১২ জন (৪৬.১৫%) প্রার্থীর সম্পদ ৫ লাখ টাকার নিচে।

এছাড়া জাতীয় পার্টির একমাত্র নির্বাচিত মেয়রের সম্পদের পরিমান ৫ লাখের নিচে।

সংবাদ সম্মেলনে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, মেয়র পদে স্বল্প সম্পদের মালিক ৫৪.২০% প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন ৩৭.৩৩%। পাশাপাশি ৫.১৯% কোটিপতি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন ১০.৭২%। এও লক্ষণীয় যে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৪৭ জন কোটিপতির মধ্যে ২৫ জনই ৫৩.১৯% নির্বাচিত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ২০১১ সালে পৌসভা নির্বাচনে নির্বাচিত মেয়রদের মধ্যে স্বল্প সম্পদের মালিক ও কোটিপতির হার ছিল যথাক্রমে ৫০.৬০% এবং ৮.৫০%। এবারে যা যথাক্রমে ৩৭.৩৩% ও ১০.৭২%।

একথা বলা যায় যে এবারের নির্বাচনে গত মেয়রদের তুলনায় স্বল্প সম্পদশালীর সংখ্যা যেমন কমেছে, তেমনি বেড়েছে অধিক সম্পদশালীর সংখ্যা। তাই এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, দিন দিন নির্বাচনে টাকার প্রভাব বেড়েছে বলেও জানান সুজন সম্পাদক।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, নির্বাহী সদস্য ড. হামিদা হোসেন, ড. রেজওয়ানা হাসান, কেন্দ্রীয় সম্বনয়কারী দিলীপ কুমার সরকার প্রমুখ।

Inline
Inline