হাই কোয়ালিটি ফেব্রিক আর চার কন্যার রহস্যে

প্রায় শতভাগ কাস্টোমারের কাছে রহস্য, এটা হয়তো বা চার বোনের হাতে গড়া বুটিক শপ। কিন্তু না! সম্পূর্ন দেশীয় বুনন নির্ভর ‘চার কন্যা’র নামকরনটা হয়েছে আসলে নারী জাতির চার অবস্থার উপর ভিত্তি করে। কন্যা, বোন, স্ত্রী, মা – এই চার অবস্থাতেই রকমারি ড্রেসের কালেকশন পেতে চাইলে একবার দেখে আসতে পারেন চার কন্যা’র ফেসবুক পেজটা।

বাহির থেকে আনা ফেব্রিকের দিকে না তাকিয়ে চার কন্যা’র প্রতিষ্ঠাতা সাবিহা বিথীর কাছে নিজেদের করা হ্যান্ড এম্ব্রয়ডারি, ব্লকের কাজ – এসবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। তাই তো তিনি পোশাকের কারিগর হিসেবে বেছে নিয়েছেন গ্রামের মহিলাদের, যার ফলে বহু মানুষের নতুন কর্মসংস্থান তৈরী হয়েছে।

“আমরা বাহির থেকে এনে সেল করিনা।সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রোডাকশন।যদিও পাকিস্তানি ও ইন্ডিয়ান বাজারে দেশীয় প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করা হলো স্রোতের বিপরীতে যাওয়া।কিন্ত প্রচন্ড ভালোবাসা থাকার কারণে সুযোগ থাকা শর্তেও দেশীয় প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করি।” – দেশীয় কাজের প্রতি প্রচন্ড টানের ফসল হিসেবে সাবিহা বিথীর দেশব্যাপী অসংখ্য রিপিটেড কাস্টোমার তৈরী হয়েছে।

প্রোডাক্টের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ফেব্রিক, কাঁচামাল ও ওয়ার্কার এর কাজের ভিত্তিতে এবং এখানে সর্বনিন্ম মূল্য রাখতেই চেষ্টা করা হয়। তাই যেখানে মাত্র ১৪শ’ থেকে ২২শ’ টাকা দামের মধ্যে সকল পোষাক পাওয়া যায়, সেখানে দর কষাকষি না করাই ভাল। প্রি-অর্ডারের জন্য এখানে ২৫-৩০দিন হাতে রেখে অর্ডার করতে হবে। সম্পূর্ন হাতের কাজ হবার কারনে ২/১ দিন বেশি লাগলে খুব একটা বিচলিত না হওয়াই ভাল। কাস্টমারদেরকে হাই কোয়ালিটি কটন, লিলেন আর মসলিনের বুননে প্রতিটি পোশাকেই গল্পের রূপকার চার কন্যা’র পাশে থেকে দেশকে ভালবেসে যাওয়ার অনুরোধ সাবিহা বিথীর কন্ঠে।