স্বাধীনতার কণ্ঠ বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিতে ভিশণ ২০২০ সাউথ এশিয়া আয়োজন করেছে “ভয়েজ অব ইনডিপেনডেন্স-২০১৮”

ইমতিয়াজ আহমেদ মিতুল, ঢাকা : স্বাধীনতা দিবসকে সারা বিশ্বের কাছে তরুণ কণ্ঠর মাধ্যমে পৌঁছে দিতে শনিবার (24/03/2018) জাতীয় শিল্পকলা একাডেমীতে ভিশণ ২০২০ সাউথ এশিয়ার টিম বাংলাদেশ আয়োজন করে “ভয়েজ অব ইনডিপেনডেন্স-(স্বাধীনতার কণ্ঠ)”-২০১৮ ।

অনুষ্ঠানের প্রধান হিসাবে ইউএসএআইডি কৃষি সম্প্রসারণ কার্যকলাপ প্রকল্পের পার্টি প্রধান জনাব বিদ্যুৎ মহালদার উপস্থিত ছিলেন এবং সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসাবে লিডের সভাপতি ও কুইন্স ইয়ং লিডার্সের উপদেষ্টা আশফাক জামান , বাংলাদেশ ব্যাংকের জয়েন্ট ডিরেক্টর এবং এই প্রকল্পের উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম , গ্রামীণ গ্লোবাল কমিউনিকেশন সেন্টারের বিসনেস ডেভেলপমেন্ট এবং অপারেশন ম্যানেজার রাজীব চৌধুরী সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেছিলেন অনুষ্ঠানে।
সকাল ১১ ঘটিকায় ইউএন কমিটির চেয়ারম্যান ডঃ রুবিনা হুসেন ফটোচিত্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন । ৫টি ক্যাটাগরিতে অংশ গ্রহণকারি বিজয়ীদের পুরস্কার গ্রহণ এবং অতিথিদের সম্বর্ধনা এবং দেশত্ববোধক নাচ গান সহ ২০০+ ফটোচিত্র দিয়ে সাজানো হয় অনুষ্ঠানটি । অনুষ্ঠানে ব্লাডম্যানের সহযোগিতায় তরুণরা রক্ত দাণ কর্মীসূচী পালন করেন।
এই প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিমি মজুমদার বলেন “প্রতি বছর ৬৪ টি জেলা থেকে ৬৪ জন লিডারের মাধ্যমে ৬৪ হাজার দক্ষ তরুণ গড়ে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য এবং শুধু বাংলাদেশ নয় দক্ষিণ এশিয়াতে এমন তরুণ নেতৃত্বর প্লাটফর্ম গড়ে তুলব আমরা যারা সারা বিশ্বের নেতৃত্ব দিবে। আমাদের এই প্রকল্প প্রথম লক্ষ্য মাত্রা বাস্তবায়নের পর নূতন করে জাতিসংঘের আর কিছু লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামব আমরা ।’’
এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তারা সকলে তরুণদের এ ভাবে সামাজিক উন্নয়নে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে মূল উদ্দেশ্য পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে তরুণরা কাঁধে কাঁধ রেখে স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে আগামী দিনের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বে এবং বিশ্ব নেতৃত্ব দিবে। সুশিক্ষার , স্বাস্থ্য , প্রযুক্তি , নারী সমতা এবং তরুণদের মাধ্যমে অর্থনীতিক উন্নয়নের জন্য ভিশণ ২০২০ সাউথ এশিয়া তাদের প্রথম মিশন হিসাবে ২০২০ সালকে লক্ষ্য করে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি বেসরকারি ,আন্তর্জাতিক সংস্থা সহ সকলের সমান অংশ গ্রহণের মাধ্যমে তাদের এই যাত্রা সফল হবে বলে আশা বাদি তারা ।