‘স্বপ্নে দেখি মারা গেছি, কেয়ামত হয়ে গেছে’

বিনোদন ডেস্ক : ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন নায়িকা নাহিদা আশরাফ আন্না। শিশুশিল্পী হিসেবে তিনি অভিনয় করেছেন ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘মালা তুমি কার’, ও ‘প্রেম পিয়াসী’সহ বেশ কয়েকটি ছবিতে। ২০০৬ সালে বিনোদন বিচিত্রা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতায় তিনি রানারআপ হন। তার ঠিক তিন বছর পরে অর্থাৎ ২০০৯ সালে এফআই মানিক পরিচালিত ‘মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি’ছবির মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

সেই নায়িকা আন্না সম্প্রতি অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। বাড়িতে সংসার সামলানো ও নামাজ-কালাম পড়েই নাকি বর্তমানে সময় কাটছে তার। এক কথায়, পুরোদস্তুর ধার্মিক হয়ে গেছেন এই নায়িকা। আর কখনো ক্যামেরার সামনে দাড়াবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নামাজ পড়ছেন, নিয়মিত কোরআন পড়ছেন, বাইরে বের হচ্ছেন বোরখা পরে। এমনকী, তাহাজ্জুতের নামাজও আদায় করছেন। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে এই তথ্যগুলো জানিয়েছেন আন্না নিজেই।

হঠাৎ এমন বেশ সম্পর্কে নায়িকা বলেন, ‘গোপন সংকেত’ ছবির শুটিং করে এক বান্ধবীর জন্মদিনে অনেক মজা করে রাতে বাসায় ফিরি। সকালে ঘুম ভাঙে দেরিতে। ছোট বোন বলে, আজ তো শবেবরাত, নামাজ পড়বে না? তখন মনে হলো, নামাজ পড়া উচিত। রাতে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে পড়ি। স্বপ্নে দেখি মারা গেছি, পৃথিবীতে কেয়ামত হয়ে গেছে। ঘুম ভাঙে আজানের শব্দে। এত ভয় পেয়েছিলাম যে, এরপর আর অন্য কিছু চিন্তা করতে পারিনি। মনে হয়েছে, আল্লাহ আমাকে হেদায়েত করেছেন। তাই এখন নামাজ-রোজা নিয়েই থাকতে চাই।’

তবে ক্যামেরার সামনে না দাঁড়ালেও, ক্যামেরার পেছনে কাজ করার ইচ্ছা আছে বলে জানান নায়িকা আন্না। অর্থাৎ, সুযোগ পেলে ছবি পরিচালনা করতে চান তিনি। নিজেদের প্রোডাকশন হাউজ রয়েছে তাদের। ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গোপন সংকেত’ ছিল আন্না অভিনীত শেষ ছবি।

Inline
Inline