সৌদিতে ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় যুক্তরাষ্ট্র

সৌদি আরবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপনাস্ত্র হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করে দেশটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জাতিসংঘকে আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় মিত্র এই সৌদি। তাই সৌদিতে এই হামলাকে ‘সরাসরি সামরিক হামলা’ হিসেবে অভিহিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় দেশটি।

গতকাল সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান অভিযোগ করেন, হুথি বিদ্রোহীরা শনিবার ব্যালাস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র হামলা করেছে। যা রিয়াদ বিমান বন্দরের কাছে ভুপাতিত করা হয়েছে। হুথিদের নিক্ষেপিত ক্ষেপনাস্ত্র ইরান সরবরাহ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানী দূত নিক্কি হিলি বলেন, জুলাই মাসেও সৌদি আরবে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালায় হুথিরা। শনিবারও একই ধরনের হামলার অভিযোগ করেছে রিয়াদ। যেসব ক্ষেপনাস্ত্র ইরান থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের ক্ষেপনাস্ত্র ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সরবরাহ করে ইরানের ইসলামী রেভ্যুলেশনারী গার্ড জাতিসংঘ সনদ লংঘন করেছে। আমরা জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইরানের এ ধরনের কার্যক্রমকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের মার্চ থেকে লড়াই করছে। যুদ্ধ চলাকালে এর আগেও একাধিকবার ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপের অভিযোগ করে সৌদি। বারবারই এসব হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করা হলেও দেশটি তা অস্বীকার করে আসছে।