সুন্দরগঞ্জে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ

গাইবান্ধা থেকে আঃ খালেক মন্ডল : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনা ধামাপাচাপা দেয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন শিক্ষক ও তার লোকজন।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের দক্ষিণ বেকাটারী গ্রামের আনোয়ারুল ইসলামের মেয়ে ও বেকাটারী ২ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর এক মেধাবী ছাত্রীকে প্রথমে জোর পূর্বক ও পরে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও অপহরণ করে কোচিং শিক্ষক মৃনাল কান্তি বর্মণ। উক্ত প্রাথমিক বিদ্যালযের দপ্তরী-কাম নৈশ্য প্রহরী পরিচালিত কোচিং সেন্টারের শিক্ষক মৃনাল কান্তি বর্মন একই গ্রামের অবসর প্রাপ্ত গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) বুদারাম বর্মনের পুত্র। সে ঈদুল ফিতরের ২ দিন আগে শনিবার (২৪ জুন) ঐ ছাত্রীকে অপহরণ করে উপজেলার বামনডাঙ্গা বন্দরের পশ্চিমে ঘাঘট নদী পাড়ে তার ভগ্নিপতির বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে জোর করে আটকে রেখে ধর্ষণের পর ৪দিন অতিবাহিত হলেও ধর্মান্তিরত হয়ে বিয়ে করেনি। ঈদের পরদিন (২৭ জুন) তার বোন নলিকা রানী ওই ছাত্রীকে তার দাদার বাড়িতে পৌছে দেয়। শিশুটির ছোট বেলায় মা মারা যাওয়ার পর থেকে তার বাবা দিনাজপুরে অবস্থান করছে। ফলে দাদা আতোয়ার রহমান তাকে লালন পালন করছে জানিয়ে কান্না বিজড়িত কণ্ঠে শিশুটি জানায়, মুসলমান হয়ে মৃনাল তাকে বিয়ে করে ঢাকায় নিয়ে যাবে। কিন্তু তার বোনের কারণে মৃনাল পালিয়েছে। শিশুটির দাদা আতোয়ার রহমান বলেন- তার নাতনী ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ে। সে মেধাবী ছাত্রী। কোচিং শিক্ষক মৃনাল কান্তি তাকে ধর্ষণ ও অপহরণের ৪দিন পর মৃনালের বোন নলিকা রানী বাড়িতে পৌছে দেয়ায় বিষয়টি নিয়ে মীমাংসার নামে টালবাহনা করছে মৃনাল ও তার লোকজন। আতোয়ার রহমান স্থানীয় নদী-নালা, জলাশয়ে মাছ ধরে তার বিক্রি করে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। স্থানীয়রা মীমাংসার নামে টালবাহনা করা ছাড়াও মৃনাল ও তার লোকজনের নানান হুমকিতে পরিবার পরিজন নিয়ে বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে তিনি ন্যায় বিচার কামনা করেন। এব্যাপারে কথা হলে রামজীবন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিজানুর রহমান বলেন- বিষয়টি জেনেছি। স্থানীয়ভাবে শালিসের ব্যবস্থা করা হলে, সেখানে মৃনালের লোকজন অনুপস্থিত থাকে।