সুনামগঞ্জের শাল্লায় নিখোঁজ মেয়ের সন্ধান চেয়ে ভিক্ষুক পিতার সংবাদ সম্মেলন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ১নং আটগাঁও ইউপি’র শশারকান্দা গ্রামের নিখোঁজ মিনারা খাতুনের কোনো সন্ধান না পেয়ে তার পিতা শাকির মাহমুদ ফকির (ভিক্ষুক) শাল্লা উপজেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার বড় মেয়ে মিনারা খাতুন (৩০) কে দিরাই উপজেলার কার্তিকপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে আরিফ মিয়া(২৮) নামের বখাটে গৃহপরিচারিকার কাজ দেয়ার কথা বলে গত ১৪ অক্টোবর ঢাকায় নিয়ে যায়।
ঢাকায় যাওয়ার কয়েকদিন পর আমি আমার মেয়ের খোঁজ-খবর নিই। কিন্তু অনেক খোঁজা খুঁজির পরও আমার মেয়ের সন্ধান পাইনি। বিষয়টি ঢাকায় অবস্থানরত আমার ছেলে জহিরুল ইসলামকে জানালে সে গত ১১ নভেম্বর ঢাকার বংশাল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ডায়েরি নং-৫৯২। ডায়েরি করার ৫০দিন অতিবাহিত হলেও আমার মেয়ের কোনো সন্ধান পাইনি আজও। কার বাসায় আমার মেয়েকে দিয়েছে নাকি বখাটে আরিফ মিয়া আমার মেয়েকে পাচার করে দিয়েছে তাও জানি না।
গতকাল ৩১ ডিসেম্বর বিকেলে শাল্লা উপজেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে কান্না জড়িতকণ্ঠে হারিয়ে যাওয়া মেয়ে ফিরে পেতে আকুতি জানান ৮০ বছরের ভিক্ষুক বৃদ্ধ পিতা।
জিডির সূত্রে ঢাকার বংশাল থানার এসআই শহিদুল ইসলাম সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি, সাধারণ ডায়েরি করার পর আবেদনকারী আর আমার সাথে যোগাযোগ করেননি। তবে আমি সব জায়গায় ম্যাসেজ পাঠিয়েছি। তিনি এ প্রতিবেদককে আরো বলেন- এতো বড় মেয়েকে এভাবে পাঠায় কেনো ? অভিযোগকারীকে বলুন আমার সাথে দেখা করতে, আমি চেষ্টা করবো।
অপরদিকে শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, এধরনের কোনো ম্যাসেজ আমরা পাইনি। এ ব্যাপারে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জের সহিত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনিও জানান আমরা কোনো ম্যাসেজ পাইনি।