সিগারেট তো ফুঁকছেন চোখের বারোটাও বাজাচ্ছেন

একুশের আলো২৪ ডেস্ক : দীর্ঘদিন ধরে যারা বিড়ি বা সিগারেট খান বা তামাক জাতীয় দ্রব্যের নেশা করেন, তাদের চোখে ছানি পড়ার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি। এমনকি ৫-১০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে যারা ধূমপান করছেন বা তামাকজাত দ্রব্য চিবোচ্ছেন, তাদের চোখের স্নায়ুর ক্ষতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে অন্ধত্ব অস্বাভাবিক কিছু নয়। কথাগুলো বলেছেন ভারতের দিল্লির এইমস হাসপাতালের চিকিত্সকরা।

চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু ক্যানসারই নয়, দিনে ২০টা সিগারেট খেলে চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারাতে হতে পারে। যেখানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা করেও দৃষ্টিশক্তি আর ফেরানো যায় না।

সাধারণভাবে স্কুল বা কলেজে পড়ানোর সময়ে নেহাতই কৌতূহলবশে কিংবা বন্ধুদের পাল্লার পড়ে ধূমপান করা শুরু করেন বেশিরভাগ যুবক-যুবতী। পরবর্তীকালে নেশার কবলে পড়ে যান তারা। চেষ্টা করেও ধূমপানের নেশা আর ছাড়তে পারেন না অনেকেই। কিন্তু, নেশা যতই থাকুক না কেন, শরীরের কথা চিন্তা করে ধূমপান যে বর্জন করা উচিত, সেকথা মনে করিয়ে দিলেন ভারতের চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকরা বলছেন, গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে যারা বিড়ি বা সিগারেট খান বা তামাক জাতীয় দ্রব্যের নেশা করেন, তাদের চোখে ছানি পড়ার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি। এমনকি ৫-১০ বছর বা তার বেশি ধরে যারা ধূমপান করছেন বা তামাকজাত দ্রব্য চিবোচ্ছেন, তাদের চোখের স্নায়ুর ক্ষতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে অন্ধত্ব অস্বাভাবিক কিছু নয়। সেক্ষেত্রেও দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা আছে বলে জানিয়েছে চিকিত্সকরা।

ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এখনো পর্যন্ত দিল্লির এইমস হাসপাতালে যতজন দৃষ্টিশক্তিহীন রোগী এসেছেন, তাদের পাঁচ শতাংশ তামাকের কারণেই দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন।