সালমানের হাতে সাত দিন সময়

বিনোদন ডেস্ক : আবারও আইনি ঝামেলায় পড়লেন বলিউডের সুলতান সালমান খান। গত বুধবার তার বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ আনেন আমেরিকায় বসবাসরত কেতন ও অনিতা কক্কড় নামের এক ভারতীয় দম্পতি। সাংবাদিক সম্মেলন করে তারা অভিযোগ করেন, মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার পানভেলে অবস্থিত সালমানের ফার্মহাউসটি বনদপ্তরের আইন অমান্য করে অবৈধভাবে নির্মিত। জায়গাটি বনদপ্তরের অধীনে।

দম্পতির দাবি, তাদের জমিটি ফার্মহাউজটির কাছে হওয়ায় জোর করে সেটিও দখলে নেয়ার চেষ্টা করছেন সালমান। এর জেরে তারা বনদপ্তরেরও অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সালমান খান ও তার পরিবারকে সম্প্রতি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে মহারাষ্ট্র বনদপ্তর। সাত দিনের মধ্যে এই নোটিশের জবাব না দিলে সালমান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা।

নোটিশে বলা হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে জবাব না দিলে মালিকপক্ষের কিছু বলার নেই বলে ধরে নেয়া হবে। এক্ষেত্রে আইন অনু‌যায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফার্মহাউসের মালিকানায় সালমান খান ছাড়াও রয়েছেন তার বাবা সেলিম খান, ভাই আরবাজ খান, সোহেল খান, বোন অর্পিতা, আলভিরা খান এবং মা হেলেন। ফার্মহাউজটি নির্মাণের ফলে বনদপ্তরের আইন ছাড়াও অন্যান্য আইনও লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ একেবারেই অস্বীকার করেছেন সালমান খানের বাবা সেলিম খান। তিনি জানিয়েছেন, ‘সব আইন মেনেই তাদের ফার্মহাউসটি তৈরি করা হয়েছিল। প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্টস এবং এককালীন টাকাও জমা দেয়া হয়েছিল। তাই কোনোভাবেই এটি বেআইনি নির্মাণ হতে পারেনা।’

এদিকে আন্ধেরি ওয়েস্ট ওয়াশিওয়াড়া নামক জায়গায় অবৈধভাবে অফিস ও কমার্শিয়াল বিল্ডিং নির্মাণের জন্য কিছুদিন আগে নোটিশ পাঠানো হয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়াকে। তারও আগে আলিবাগের ফার্মহাউস নিয়ে আইনি নোটিশ পেয়েছিলেন শাহরুখ খানও। সেই নোটিশের কোনো সদুত্তর না দেয়ায় ফার্মহাউসটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। তবে কি এবার সালমানের ফার্মহাউজটিও বাজেয়াপ্তের পথে?