সাদুল্লাপুরে তৃনমুল পর্যায়েও পিছিয়ে নেই নারী গ্রাম পুলিশ দায়িত্ব নিলেন দু’নারী

গাইবান্ধা থেকে আঃ খালেক মন্ডল : নারীর অধিকার নিয়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে দেশে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে আসতে হবে নারীদের আমাদের দেশের নারীরা আর পিছিয়ে নেই পুরুষের সাথে পাল্লা দিয়ে সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছে নারী। সবক্ষেত্রেই পাচ্ছে অগ্রাধিকার,বিভিন্ন অফিস, আদালত, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, এনজিও,ব্যাংক,বীমা শায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান গুলোতে নারীদের পদচারনা চোখে পড়ার মত। বাংলাদেশ সেনা,বিমান, পুলিশ ও আনছার বাহিনী সবত্রই নারীদের অংশ গ্রহন লক্ষ্য করা যায়। জন প্রতিনিধি নিবার্চনে নারীদের কোটা সংরক্ষন করা হয়েছে। পিছিয়ে নেই তৃনমুল পর্যায়ের নারীরা প্রত্যান্ত গ্রাম অঞ্চলে পুরুষের পাশা পাশি নারীরা চলছে সমান তালে। ভোটা অধিকার প্রয়োগে নারী ভোটার সংখ্যা বরাবরেই বেশি দেখা যায়। সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ মহল্লাদার হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন নারী। মজার ব্যাপার ইউনিয়ন পরিষদের বেশী সুযোগ সুবিধা নিতে ছুটে আসে নারীরাই তাই প্রয়োজন পড়েছে নারী গ্রাম পুলিশের। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ২টি ইউনিয়নে ২ জন নারী গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) নিয়োগ পেয়েছেন। দায়িত্ব পালন করছেন নিষ্টার সাথে। ৬নং ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ফাতেমা এবং ১নং রসুলপুর ইউনিয়নের আছিরন। এ উপজেলায় এই প্রথম দু’জন নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ দিয়েছেন, তৎকালীন সাদুল্লাপুর উপজেলার সুযোগ্য নিবার্হী কর্মকতা আহসান হাবিব। কথা হয় ধাপেরহাট ইউনিয়নে কর্মরত গ্রাম পুলিশ মহল্লাদার ফাতেমার সাথে: তিনি জানান ছোটছত্রগাছা গ্রামের তোজাম্মেল হোসেনের কন্যা সে স্বামী পরিত্যাক্তা অবস্থায় দির্ঘদিন যাবৎ ঢাকায় গামের্ন্টসে চাকুরী করেছেন কিন্তু ৪ মাস পূর্বে গ্রাম পুলিশ হিাসাবে যোগদান করেছেন। ৮ম শ্রেণি পড়–য়া এই ফাতেমা জীবনের বর্ণনা করতে গিয়ে কেদে ফেলে এবং এক পর্যায়ে দুঃখ প্রকাশ করে বলে- শুনি নারীদের সমান অধিকার কিন্তু আসলে এখনো অনেক তফাৎ নারী পুরুষের বৈষম্য। আর গ্রাম পুলিমের চাকুরী নিয়ে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ১টানা ৫টা পর্যন্ত থাকি পরিষদে আগত বিভিন্ন মহিলাদের কাজের সহযোগিতা ও খেজমত করে যান। কিন্তু সরকার আমাদের প্রতি নেক নজরে তাকায়না আজ পর্যন্ত কোন বেতন ভাতা পাইনাই। পরিবার পরিজন নিয়ে দারুন কষ্টে আছি। একই দুঃখ প্রকাশ করেছেন অপর নারী গ্রামপুলিশ ১নং রসুলপুর ইউনিয়নের ছান্দীয়পুর গ্রামের আজাহার আলীর স্ত্রী আছিরন বেগম। ৫ জনের সংসারে যৎ সামান্য বেতন পেয়ে দিন চলেনা তার। ধাপেরহাট ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম নওশা মন্ডল বলেন, নারী গ্রাম পুলিশ যোগদান করায় তার কার্যলয়ের অনেক কাজের সুবিধা হয়েছে। এমন কিছু বিষয়াদি থাকে যা পুরুষ গ্রাম পুলিশ দিয়ে করানো সম্ভব হয়না সে কারনে নারী গ্রাম পুলিশের প্রয়োজন। আমি বলব এদের বেতন ভাতাদি বাড়ানো অতিব প্রয়োজন। ডিজিটাল বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে পল্লী অঞ্চলের নারীরা। কিন্তু তাদের সংসার চলবে কি ভাবে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তাদের এমন মন্তব্যই করেছেন অনেক অভিজ্ঞ মহল।