সাঘাটায় সড়ক পাকাকরণ কাজে নিম্নমানের ইটের ব্যবহার এলাকায় উত্তেজনা

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা সংবাদদাতা : গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নে সড়ক পাকাকরণ (এইচবিবি) কাজে নিম্নমানের দুই ও তিন নম্বর ইটের ব্যবহার করায় এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সরজমিনে গিয়ে নিম্নমানের ইট ঠিকাদারকে উঠানোর নির্দেশ দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় বাস্তবায়নে গ্রামীন মাটির রাস্তা সমূহ টেকসই করণের লক্ষ্যে এইচবিবি করণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৫২ লক্ষ ৮২ হাজার ৪শ ৬ টাকা বরাদ্দে। ঘুড়িদহ ইউনিয়নের যাদুর তাইড় কালপানি বাধের ইসলামের দোকান হতে পশ্চিমে আজিজারের বাড়ী পর্যন্ত ৮৪৫ মিটার এবং চিনিরপটল কমিউনিটি ক্লিনিক হতে দক্ষিনে সুকুমারের বাড়ী পর্যন্ত ৫৪৫ মিটার রাস্তা এইচবিবি পাকাকরণ কাজ চলছিল। কাজটি উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা বাস্তবায়ন ও তদারকি দায়িত্ব থাকলেও কর্তব্য অবহেলায় এক নম্বর ভাল মানের ইট সিডিউলে দেয়া থাকলেও নিম্নমানের দুই ও তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। সড়কে রোলার মেশিন দিয়ে মাটি বসানোর পর ইট বিছানোর কথা, তা করেননি।
নিম্নমানের বালু ব্যবহার করা হয়েছে। সড়কে ইট বিছানো হয়েছে ফাঁকা ফাঁকা করে। এসব অনিয়ম এলাকাবাসী জানতে পেরে গত রোববার কাজ বন্ধ করে দেয়। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিঠুন কুন্ডু সরজমিনে গিয়ে নিম্নমানের ইট ঠিকাদারকে উঠানোর নির্দেশ দিলেও ঠিকাদার প্রভাব খাটিয়ে দিব্বি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ চালাচ্ছেন। এবং স্থানীয় লোকজনকে চাঁদা দাবির মামলার ভয় দেখাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানান। যাদুর তাইড় গ্রামের আইজুল, শ্রী: শয়ন ও আব্দুল করিম জানান, দুই ও তিন নম্বর ইট দিয়েই কাজ হচ্ছে। ফুলছড়ির অনিক ট্রেডার্স ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি রাসেল বলেন, এক নম্বর ইট কিনেছি ভাটা থেকে এর মধ্যে দুই তিন হাজার ইট এসেছে দুই ও তিন নম্বর। এসব দিয়েই কাজ চলবে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিঠুন কুন্ডু জানান, এক নম্বর ইটের মধ্যে দুই তিন আসবেই। যেসব ইট লাগিয়েছে তা উঠানোর জন্য বলা হয়েছে।

Inline
Inline