সরকারের গণমুখী কর্মকান্ডের ফলে ইলিশ উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ২১ জুলাই, ২০১৮ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ বর্তমান সরকারের গণমুখী কর্মকান্ডের ফলে ইলিশ উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। জাতীয় মাছ ইলিশকে আন্তর্জাতিকভাবে ব্রান্ডিং-এর লক্ষ্যে ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে নিবন্ধন করা হয়েছে।
আগামীকাল থেকে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ শুরু উপলক্ষে আজ শনিবার দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ মাছে দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’।
শেখ হাসিনা বলেন, সমুদ্র বিজয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট ব্লু-ইকোনমির বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গবেষণা ও জরিপ জাহাজ ক্রয় করে সামদ্রিক মৎস্য সম্পদের জরিপ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো লং লাইনার ও পার্সসেইনারের মাধ্যমে মৎস্য আহরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে দেশের সকল মৎস্য চাষি ও মৎস্যজীবীসহ মৎস্যখাত সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাছে-ভাতে বাঙালি – এ ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করে এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে মৎস্যখাত উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, বর্ধিত জনগোষ্ঠীর প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, নারীর ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে মৎস্যখাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
মৎস্যখাতের সার্বিক উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরো নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহবান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বিপুল সম্ভাবনাময় মৎস্যখাত এ লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।