শ্রীপুরে স্কুল ছাত্রী উদ্ধার গ্রেফতার ১

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : শ্রীপুরে স্কুল ছাত্রী উদ্ধার গ্রেফতার এক। উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের জৈনা বাজার আবদার গ্রামের ঢালীপাড়া ৪র্থ শ্রেনীর স্কুল ছাত্রী একই এলাকার ভাড়াটিয়া বেলালের বাড়ীর ভাড়াটিয়া মালেকের পুত্র আবুল কালাম ওই ছাত্রীকে নিয়ে তার বাড়ী ময়মনসিংহ জেলার চুরখাই গ্রামে নিয়ে যায়। পরে ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় একটি অপহরন অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ আবুল কালামের পিতা মালেক ও তার ভাই সাজু কে থানায় হাজতে আটক করে ছাত্রীকে উদ্ধার করেন। গত সোমবার বিকেলে আটককৃত ছাত্রের পিতা আব্দুল মালেক থানা হাজতে মাথা ঘুরিয়ে পড়ে গেলে পুলিশ তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলার সদর থানার চুরখাই গ্রামের মালেক তার পুত্রদের নিয়ে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের আবদার গ্রামের বেলালের বাড়ীতে ভাড়া থেকে স্থানীয় গার্মেন্টসে চাকুরী করত। এই সুবাদে আবদার গ্রামের আফাজ উদ্দিনের কন্যা আবদার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম সৃষ্টি হয়। পরে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে গেলে আফাজ উদ্দিন বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করেন। থানার এস.আই এখলাস ছেলের পিতা মালেক ও তার ভাই সাজুকে থানা হাজতে আটক করে হুমকি দিলে মালেক ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে শ্রীপুর থানার এস.আই মহসিন শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়। জরুরী বিভাগের কর্মরত ডাক্তার মামুনুর রশিদ জানান, সে নেশাজাতীয় কিছু খেয়েছে। সে বর্তমানে স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। পুলিশ দূর্ঘটনার আশংকায় তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেন। আটককৃত আহত আব্দুল মালেক জানান, আমি পাচওয়াক্ত নামাজ পড়ি, কোনদিন নেশা করিনি। আমাকে থানা হাজতে ভয়ভীতি ও হুমকি দিলে আমি ভয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

এস.আই এখলাস জানান, ময়মনসিংহ থেকে ভিকটিম ছাত্রীকে উদ্ধার করে আনার পথে ভালুকা ছাত্রী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেই। আজ সকালে মেয়েকে মেডিকেলে পরীক্ষা করার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।