শেরপুরে সাংবাদিক সংস্থার মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

বগুড়া থেকে : মায়ানমারে আরাকান রাজ্যে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর বর্বর নির্যাতন ও গণহত্যার প্রতিবাদে বগুড়ার শেরপুরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (০৬সেপ্টেম্বর) বেলা ১০টায় পৌরশহরের স্থানীয় বাসষ্ট্যান্ডে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা শেরপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ঘন্টাব্যাপি চলা এই কর্মসূচিতে আওয়াম ীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ নানা শ্রেণী পেশার শত শত মানুষ অংশ করেন।
অত্র সংগঠনের উপজেলা কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলীর সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. হাবিবর রহমান, শেরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো.দবিবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আব্দুস সাত্তার, সাপ্তাহিক আজকের শেরপুর পত্রিকার সম্পাদক আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুল আলম তোতা, সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় সহকারি মহাসচিব মুহাম্মদ আবু মুসা, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রশিদ সাইন, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি নিমাই ঘোষ, আ.লীগ নেতা বদরুল ইসলাম পোদ্দার ববি, বিএনপি নেতা পিয়ার হোসেন পিয়ার, হাসানুল মারুফ শিমুল, রফিকুল ইসলাম মিন্টু, জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আরিফুর রহমান মিলন, জেলা ইসলামী আন্দোলনের নেতা মীর মাহমুদুর রহমান চুন্নু, ফাহিম উদ্দিন, উপজেলা হাজি এসোসিয়েশনের নেতা মাওলানা মোকছেদ আলী, উপজেলা কেজি স্কুল এসোসিয়েশনের নেতা রফিক মোহাম্মদ ফিরোজ, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর বর্বর নির্যাতন ও গণহত্যা বন্ধের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, দেশটিতে জাতিগত ভাবে মুসলমানদের নির্মূল করার চক্রান্ত চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোহিঙ্গা মুসলমান সম্প্রদায়ের ওপরে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। এমনকি সেখানে মানব সভ্যতাও চরমভাবে ভুলুণ্ঠিত হয়েছে। ভয়াবহ নৃশংসতা ও বর্ববরতা গোটা দুনিযার কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তাই অবিলম্বে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর চালানো গণগত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করুন। এই বর্বর হত্যা-নির্যাতন বন্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ভূমিকা পালনের আহবান জানানো হয়। একইসঙ্গে মিয়ানমারে সংগঠিত মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার ও দৃষ্টানাত মূলক শাস্তি দাবি করা হয়।