‘শিগগিরই বিশ্বের শীর্ষ ব্র্যান্ডে পরিণত হবে ওয়ালটন’

নিজস্ব সংবাদদাতা : দ্রুত পরিবর্তনশীল ইলেকট্রনিক্স ব্যবসার বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হলো ওয়ালটনের চারদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক পরিবেশক সম্মেলন।

সম্মেলনের শেষ দিন মঙ্গলবার ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান এসএম শামসুল আলম বলেন, ওয়ালটনের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ। সম্প্রতি উল্লেখযোগ্য পরিমান ফ্রিজ রপ্তানি হয়েছে লেবাননে। প্রবৃদ্ধি এবং রপ্তানির ধারা বেগবানের মাধ্যমে শিগগিরই বিশ্বের শীর্ষ ব্র্রান্ডে পরিণত হবে ওয়ালটন।

সম্মেলনে অপর বক্তারা বলেন, ওয়ালটনের প্রবৃদ্ধির বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের হাব বা কেন্দ্র। শুধু ডিস্ট্রিবিউটর, ডিলার, সাব-ডিলারই নন, ওয়ালটন পণ্যের সব ক্রেতাই এর গর্বিত অংশীদার। তারা সবাই ওয়ালটন পরিবারের সদস্য। ওয়ালটন ষোলো কোটি বাংলাদেশির প্রতিষ্ঠান। দেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে ওয়ালটন এগিয়ে যাবে।

সম্মেলনে ওয়ালটন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এসএম নূরুল আলম রিজভী বলেন, স্থানীয় বাজারে ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের পাশাপাশি কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও স্মার্টফোনের মত আইসিটি ডিভাইস উৎপাদন শুরু করেছেন তারা। ওয়ালটন স্থানীয় আইসিটি পণ্যের ৭০ ভাগ বাজার চাহিদা পূরণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার প্রাঙ্গণে দেশ-বিদেশের পরিবেশকদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। এরপর বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের সমাপনী দিনের কার্যক্রম শুরু করেন ওয়ালটন গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা, এমদাদুল হক সরকার, হুমায়ূন কবির প্রমূখ।

সম্মেলনের সমাপনী দিনে অংশ নেন দেশের ২০ টি জোনের ৮৮৯ জন এক্সক্লুসিভ পরিবেশক। প্রতিটি জোন থেকে সেরা ৩ জন করে সর্বমোট ৬০ জন ডিস্ট্রিবিউটরকে ক্রেস্ট, ট্রফি ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। চারদিনের এই সম্মেলনে অংশ নেন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৬ হাজারেরও বেশি পরিবেশক। সেইসঙ্গে ছিলেন বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বিদেশি পরিবেশকগণ। গত ২১ এপ্রিল শনিবার শুরু হয়েছিলো এই ব্যবসায়িক সম্মেলন।