র‌্যাব সদস্যদের মারধরে মামলার অভিযোগে আসামি পাঁচ শতাধিক

লক্ষ্মীপুরের রামগতির বয়ারচর এলাকায় সরকারি কাজে বাধা ও র‌্যাব সদস্যদের মারধর করার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় উপজেলার চরগাজীর ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফরিদ উদ্দিনসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে রামগতি থানায় র‌্যাবের ডিএডি মনির হোসেন এ মামলা করেন। তবে ঘটনার একদিন পরও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

এদিকে ফরিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে নোয়াখালীর হাতিয়া ও রামগতি থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে। এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকালে রামগতির বয়ারচর এলাকায় ফরিদ উদ্দিনকে ধরতে সাদা পোশাকে অভিযান চালায় র‌্যাব। এসময় ফরিদ উদ্দিনকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সাথে র‌্যাবের সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে র‌্যাবের এসআই মফিজুল ইসলাম, র‌্যাব সদস্য শাখাওয়াত হোসেন, শাহীন আলম ও শহীদুল ইসলামকে মারধর করে ফরিদ উদ্দিনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। পরে তেগাছিয়া পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যরা আহত র‌্যাব সদস্যদের উদ্ধার করে ক্যাম্পে নেয়ার পর পাল্টা হামলা চালায় তারা। এসময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। পুড়িয়ে দেয়া হয় র‌্যাবের দুইটি মোটরসাইকেল। পরে র‌্যাব সদস্যদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Inline
Inline