রোহিঙ্গা ইস্যুতে যা করার তা করছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র সচিব

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির‌্যাতন হচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ তার যা করণীয় তা করছে। তবে এ সমস্যার সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (জিএফএমডি) নবম জিএফএমডি সামিট মিটিং নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রসচিব।

শহীদুল হক বলেন, ‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। তাদেরই (মিয়ানমার) সংকট সমাধানে উদ্যোগী হতে হবে।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে আমাদের যতটুকু করার সেটা আমরা করছি। মিয়ানমারে মুসলিমদের ওপর নির‌্যাতনের ঘটনায় আমাদের সর্বোচ্চ মহলও অবগত। দেশটির সঙ্গে এ বিষয়ে আমাদের রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ হচ্ছে। তাদের আমাদের উদ্বেগের বিষয়টি জানানো হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব সময় তৎপর ছিল। আমি এই ইস্যুতে অন্তত পাঁচবার মিয়ানমারে গিয়েছি। মিয়ানমার ইস্যুতে আমাদের পক্ষ থেকে যা করার সবটুকুই করছি।’

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা ইস্যুতে চলমান ঘটনার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে জানতে চাওয়া হলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে কনসার্ন। তার রেফারেন্সে মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির সঙ্গে একাধিকবার বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা অব্যাহত আছে। ’

তিনি বলেন, ‘কাউকে যখন জোর করে উচ্ছেদ করা হয়, তখন এর পেছনে কারণ কী তা জানতে হয়। তা না হলে এই সমস্যার সমাধান করা যায় না।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘কূটনীতিতে সবকিছু বলা যায় না, সবকিছু বলা উচিতও না।’

আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে নবম জিএফএমডি সামিট আন্তর্জাতিক মিটিং শুরু হবে। চলবে ১২ ডিসেম্বর পর্ন্ত। জাতিসংঘের সকল দেশ এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত। ইতোমধ্যে ৭৩টি দেশের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে যোগ দিতে নাম নিবন্ধন করেছেন। এরমধ্যে ২০জন মন্ত্রী রয়েছেন। ২৭টি আন্তর্জাতিক সংস্থাও নাম নিবন্ধন করেছেন। নিবন্ধন প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত রয়েছে। রয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

Inline
Inline