রায়ে পুরোপুরি অখুশি নই, আবার সন্তুষ্টও নই: ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১০ অক্টোবর, ২০১৮ : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে আমরা পুরোপুরি অখুশী নই, আবার পুরোপুরি সন্তুষ্টও নই।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘বিলম্বিত হলেও এ রায়ে আমরা পুরোপুরি অখুশি নই, আবার পুরোপুরি সন্তুষ্টও নই। কারণ, বর্বরোচিত ও নৃশংস গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট হওয়া উচিত ছিল।’

তিনি আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এমআরটি লাইন-১ এর কন্ট্রাক সাইন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৪ বছর পর এই নৃশংস গ্রেনেড হামলার বিচার হলো যার প্রাইম টার্গেট ছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তাকে টার্গেট করেই এই হামলা চালানো হয়েছিল। এই হামলার মাস্টার মাইন্ড ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান। হাওয়া ভবন থেকে এই হামলার পরিকল্পনা হয়েছিল।

তিনি বলেন, গত ১৪ বছর ধরে মানুষের আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এই গ্রেনেড হামলা। এই হামলায় মোট ২৪ জনের প্রাণ ঝড়ে গেছে।

কাদের বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় এই নির্মম হত্যাকান্ডের মামলার কোন গুরুত্ব ছিল না। তারা আলামত নষ্ট করেছিল। এফবিআই দিয়ে মামলার তদন্ত করলেও স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকে দেশ ঢুকতে দেয়া হয়নি। এই মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে জজ মিয়া নাটক সাজানো হয়েছিল। তখন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল হাওয়া ভবন।

তিনি বলেন, এই মামলার অন্যতম আসামী মুফতি হান্নান অপারেশনের আগে তারেক রহমানের অনুমতি নিয়েছিল বলে আদালতে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছে।

একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদন্ড এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। এই মামলার অন্য ১১ আসামীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।